• imamcu07 portfolio

    || Portfolio Of Md.ImAmUdDiN ||

    Here is the portfolio link of imamcu07. It's published with free domain and hosting for testing purpose. To see it on-line, please click on image or title of the slide.

  • imamcu07 portfolio website

    || Personal website of imamcu07 ||

    It's another a portfolio of imamcu07. Also published on free domain and hosting. It's a SEO friendly and responsive personal website to description someone's personal details

  • imamcu07 NextGen-IT

    || NextGen-IT static website ||

    NextGen-IT static website is a one page HTML demo company web page. imamcu07 has published it on web for testing purpose. You can see it on-line by clicking on slide or title.

  • MCPD Certification

    || MCPD Certification Of imamcu07 ||

    Here is the certification profile like of MCPD. After successful completion of C#.NET and ASP.NET course from IDB-BISEW, I have acquired MCPD certification with great help of IDB-BISEW.

  • NextGen-IT blog imamcu07

    || NextGen-IT Blog ||

    It's a NextGen-IT google blog for help, support and service of freelancing / outsourcing. This blog published post against SEO, SMM, Website development, WordPress and many mores.

Keyboard Function Key

àKeyBoard এর FunctionKey এর কাজঃß
কম্পিউটারে সাধারণত F1 থেকে F12 পর্যন্ত মোট ১২টি ফাংশান কী থাকে;
আসুন,  জেনে নিই কোনটা কি কাজের জন্য উপযোগী।
F1 : এই বাটন টি যেকোণ প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার এর জন্য সাহায্যকারী কি হিসেবে ব্যবহৃত হয় অর্থাৎ আপনার একটিভ উইন্ডোর জন্য হেল্প পেইজ দেখতে হলে এই বাটন টি প্রেস করলেই চলবে।

F2 : Rename করার জন্য শর্টকাট কি হিসেবে এটি ব্যবহার করা হয়। আপনার সিলেক্টকৃত কোণ ফাইল বা ফোল্ডার রিনেম করতে সিমপ্লি এই বাটন টি প্রেস করুন। তাছাড়াAlt+Ctrl+F2 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের একটি নতুন ডকুমেন্ট খুলতে পারেন। আরেকটা ব্যবহার আমি করে থাকি আর তা হল ওয়ার্ডের প্রিন্ট প্রিভিউ দেখা। তার জন্য জাস্ট ctrl+F2 চাপুন।

F3 : শুধুমাত্র F3 চেপে আপনি যেকোন প্রোগ্রামের বা ডকুমেন্টের সার্চ অপশান আনতে পারেন। ঠিক এখুনি কি টা চাপুন তো আর দেখুন আপনার ব্রাউজারের ডান পাশে একটি সার্চ বক্স এসেছে! shiFt+F3 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের কোণ শব্দকে বড় হাতের থেকে ছোট হাতের বা ছোট হাতের থেকে বড় হাতের করতে পারেন। এবং সিলেক্টকৃত ঐ শব্দটির প্রথম অক্ষর যদি বড় হাতের রাখতে চান তাহলেও shiFt+F3 চাপুন।

F4 : এই বাটন দিয়ে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের last action perFormed Repeat করা যায়। Alt+F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা হয়। Ctrl+F4 চেপে সক্রিয় সব উইন্ডো বন্ধ করা হয়।


F5 : মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Find, replace, go to উইন্ডো খোলা হয় এই বাটন চেপে। যেকোণ পেজ রিফ্রেশ করতে এই পেজটিই ব্যবহার করা হয়। পাওয়ার পয়েন্টে স্লাইড শো শুরু করা এবং বন্ধ করার জন্য এই বাটন টি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

F6 : মাউসের কার্সরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে এটি চাপলেই হবে , এখুনি ট্রাই করে দেখুন। Ctrl+ShiFt+F6 চেপে ওয়ার্ডের সক্রিয় ডকুমেন্ট রেখে অন্যটি ব্যবহার করা যায়।

F7 : চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে লেখা বানান ও গ্রামার ঠিক করা হয় এবং মজিলা ফায়ারফক্সের Creat browsing চালু করা হয়। ShiFt+F7 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে কোনো নির্বাচিত শব্দের প্রতিশব্দ, বিপরীত শব্দ, শব্দের ধরন ইত্যাদি জানার ডিকশনারি চালু করা হয়।

F8: বিশেষ করে কম্পিউটার চালু করার সময় এই কি টী কাজে লাগে । সাধারণত উইন্ডোজ saFe mood এ চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

F9 : Quark 5.0 এর মেজারমেন্ট টুলবার ওপেন করার জন্য এটী কাজে লাগে.

F10 : এটি চেপে ইন্টারনেট ব্রাউজার বা কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার নির্বাচন করা হয়। ShiFt+F10 চেপে কোনো নির্বাচিত লেখা বা লিংক বা ছবির ওপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করার কাজ করা হয়।


F11 : আপনার সামনে স্ক্রিনে একটিভ উইন্ডোটিকে ফুলস্ক্রিন করতে এবং নরমাল মুডে আনতে এই বাটন টি চাপলেই হবে। এখুনি দেখুন।

F12 :
চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের Save as উইন্ডো ওপেন করা হয়। ShiFt+F12 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্ট সেভ করা হয়। এবং Ctrl+ShiFt+F12 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্ট প্রিন্ট করা হয়। বর্তমান সময়ে আমরা সবাই অভ্র ব্যবহার করে থাকি, আর এই অভ্র সফটওয়্যার এ বাংলা এবং ইংরেজী ভাষা সিলেক্ট বা পরিবর্তন করতে ডেস্কটপ কম্পিউটারে শুধু মাত্র F12 চেপে বাংলা থেকে ইংরেজীতে বা ইংরেজী থেকে বাংলা মুড এ আসতে পারবেন। আর ল্যাপটপে Fn+F12 চাপতে হবে।
ধন্যবাদ সহঃ
মুহাম্মদ ইমাম উদ্দিন
C# Programming.
IDB-BISEW
BSS(Hon’s), MSS.
Sociology.
Chittagong University.
Share:

64 Bit vs 32/86 Bit

à 64 Bit  vs 32/86 Bit: কি ও কেন? ß
কম্পিউটার যারা ব্যবহার করেন তারা নিশ্চয় ৩২ বিট আর ৬৪ বিটের নাম শুনেছেন। ৩২ বিট আর ৬৪ বিট এর জন্য আলাদা আলাদা প্রসেসর, অপারেটিং সিস্টেম, সফটওয়ার, আর ড্রাইভার আছে। তবে নতুনদের মধ্যে অনেকেই জানেন না এই ৩২ বিট আর ৬৪ বিট কি। এদের মধ্যে পার্থক্য কি, কি জন্য ব্যবহার করা হয় বা নিজের কম্পিউটারটি কত বিটের তা কিভাবে চেক করবেন তাও অনেকের অজানা। এটি নিয়েই আমার পোষ্টটি লেখা। এখানে প্রশ্নগুলোর উত্তর দেয়ার চেস্টা করছি।
৩২ বিট আর ৬৪ বিট এ পার্থক্য কিঃ
১। ৩২ বিট এর চেয়ে ৬৪ বিটে উইন্ডোজের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বেশি, বিশেষ করে Kernel Patch Protection অনেক বেশি শক্তিশালী হয় ৬৪ বিটে।Kernel হল প্রসেসর, হার্ডওযার, ডিভাইস ড্রাইভার এর সাথে অন্যান্য সফটওয়ারের সমন্বয় রক্ষা করে চলার একটি পদ্ধতি যার উপর ভিত্তি করে অপারেটিংস সিস্টেম তৈরি হয়। একেক অপারেটিং সিস্টেমে একেক ধরনের Kernel ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়।
২। ৬৪ বিট উইন্ডোজে ডিজিটাল সাইন ছাড়া ড্রাইভার ইন্সটল করা যায় না। ডিজিটাল সাইনটা এক প্রকার কোম্পানির সীলের মত। যখন ঐ সফটওয়ারটাকে ভাইরাস আক্রমন করে বা এর মধ্যে কোন পরিবর্তন হয় তখন ডিজিটাল সাইনটি পরিবর্তিত হয়ে যায় যাকে হিসেবে উইন্ডোজ ধরে নেয়। ৩২ বিটেও ডিজিটাল সাইন ছাড়া ড্রাইভার ইন্সটল না করার অপশন আছে তবে এটি ডিফল্ট সেটিংস নয়। কিন্তু ৬৪বিটে উইন্ডোজ Digital Sign Broken কে অনুমোদন করে না।
৩। ৬৪ বিট প্রসেসরে ৬৪ বিট এবং ৩২ বিট দুই ধরনের উন্ডোজই (অপারেটিং সিস্টেম) ব্যবহার করা যায়। তবে ৩২ বিট প্রসেসরে শুধু মাত্র ৩২ বিট উন্ডোজই ব্যবহার করা যায়। সুতরাং ৬৪বিট উইন্ডোজ ব্যবহার করতে চায়লে ৬৪বিট প্রসেসরই লাগবে।
৪। ৬৪বিট উইন্ডোজে কিছু কিছু ৩২বিটের সফওয়ার, আর ড্রাইভার রান করা গেলেও অনেক সময় সমস্যা দেখা দেয়, সঠিকভাবে কাজ করে না। তবে ৩২বিট উইন্ডোজে ৬৪বিট সফটওয়ার বা ড্রাইভার কোনটাই কাজ করে না। অর্থাৎ সঠিকভাবে কাজ করার জন্য ৬৪বিটের জন্য ৬৪বিটের সফটওয়ার আর ড্রাইভার যেমন দরকার তেমন ৩২ বিটের জন্যও ৩২বিটের সফটওয়ার আর ড্রাইভার দরকার। আবার ১৬বিট প্রোগ্রামগুলো ৩২বিটে কাজ করলেও ৬৪বিটে কাজ করে না। ৬৪ বিটের প্রোগ্রামগুলো ৩২বিটের চেয়ে পারফরমেন্স ভাল দেখায়। যেমন ক্রাশ করা বা এরকম অন্যান্য সমস্যাগুলো থেকে ৬৪বিট প্রোগ্রামগুলো মুক্ত বললেই চলে।
৫। ৬৪বিট প্রসেসর সাধারণত x64 এবং ৩২বিট প্রসেসর সাধারণত x86 গতিতে চলে।
৬। ৩২ বিটের জন্য সাধারণত 512MB থেকে 4 GB পর্যন্ত RAM Recommend করা হয় যেখানে ৬৪বিটের জন্য 4 GB recommend করা হয়। এর চেয়ে কম হলেও চলে। RAM
সবচেয়ে বড় ব্যাপার হল 4 GB এর উপর RAM ব্যবহার করতে চায়লে অবশ্যই ৬৪বিট প্রসেসর আর উইন্ডোজ ব্যবহার করতে হবে। কারণ ৩২ বিটে 4 GB এর উপর RAM ব্যবহার করা হলেও তা ব্যবহৃত হয় না। এমনকি অনেক সময় সর্বোচ্চ 3 GB পর্যন্ত ব্যবহৃত হয়ে বাকিগুলো RAM অব্যবহৃত থেকে যায় কারণ হার্ডওয়ার সাপোর্ট করে না। অন্যদিকে ৬৪বিটে 1GB থেকে 128GB এর চেয়ে বেশি RAM সাপোর্ট করে। যদিও এখনো 128GB RAM ব্যবহারের রেকর্ড শুনা যায়নি। তবে ব্যবস্থাটা রাখা হয়েছে।
যে সব কাজের জন্য বেশি RAM প্রয়োজন তার জন্য ৬৪বিটের বিকল্প নেই। যেমন হলিউডের যে ফিল্মগুলো তৈরি করা হয় তাতে সব ৬৪বিটের প্রোগ্রামগুলোই ব্যবহার করা হয়। তেমনি 3D, High powerful Graphics আর Multimedia’র জন্য ৬৪বিট একমাত্র সমাধান।
আশাকরি কারো মনে আর এই প্রশ্ন থাকবে না যে -৩২বিট আর ৬৪বিটে পার্থক্য কি বা ৩২বিট নাকি ৬৪বিট কোনটা ভাল।
আপনার পিসিটি ৩২ বিট নাকি ৬৪ বিট?
আগেই বলেছি ৬৪বিট অপারেটিং সিস্টেম আর প্রোগ্রাম ব্যবহার করার জন্য ৬৪বিট প্রসেসরই ব্যবহার করতে হয়। তবে ৬৪বিট প্রসেসর থাকলেও আপনি ৩২বিট অপারেটিং সিস্টেম আর প্রোগ্রাম ব্যবহার করতে পারেন। তাই প্রশ্ন জাগে নিজের অপারেটিং সিস্টেমটি ৩২ বিট নাকি ৬৪ বিট। এটা বলা যায় আমরা সাধারণত ৩২বিটই ব্যবহার করে থাকি। কারণ আমরা মনেকরি ৬৪বিট আর ৩২বিট একই। তাই আমাদের বাজারে যা পাওয়া যায় তার বেশির ভাগই ৩২বিট।
আপনারটি চেক করার জন্য My Computer>Properties>General এ যান যাকে আমরা My Computer Properties বা System Properties বলে থাকি। ওখানে আপনি দেখবেন আপনি কোন অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করেন, কত ভার্সন এবং তা কত বিটের। আপনর পিসি কত র‍্যাম ব্যবহার করছে তাও ওখানে দেখতে পাবেন। যদি বিট দেখতে না পান তাহলে বুঝে নেবেন আপনি ৩২বিটই ব্যবহার করছেন। ৬৪ হলে তা অবশ্যই প্রদর্শিত হবে। কিন্তু ৩২বিট হলে তা ভার্সনভেধে প্রদর্শিত নাও হতে পারে।
সার-সংক্ষেপঃ
১* ৩২ বিট থেকে ৬৪ বিটে প্রগ্রাম গুলি ভালভাবে চলতে পারে কোন ক্রাশ কম হয় । এর কারন হলো ৩২ বিটে সর্বোচ্চ 4 GB র‍্যাম সাপোর্ট করে,
২* আর ৬৪ বিটে যত খুশি তত র‍্যাম সাপোর্ট করে ফলে প্রগ্রামগুলি চলতে কোন সমস্যা হয় না
৩* ৩২ বিটের প্রগ্রামগুলি x86 গতিতে চলে,
৪*  আর ৬৪ বিটের প্রগ্রামগুলি x64 গতিতে চলে ।
আর সব কথার শেষ কথা হলো ৩২ বিট থেকে ৬৪ বিট অনেক গতিশীল এবং ফাস্ট আপনার পিসির প্রসেসর যদি x64 Based হয় আর র‍্যাম যদি 2 GB / এর বেশী হয় তাহলেই আপনি ৬৪ বিটের কম্পিউটিং জগতের মজা উপভোগ করতে পারবেন 
হাই গ্রাফিক্স আর গেম খেলার জন্য ৬৪ বিট অপারেটিং সিস্টেম... Better 

উদাহরণঃ ৩২ বিট কে বাই-সাইকেল আর ৬৪ বিট কে মটর সাইকেল ভাবা যেতে পারে 
C# Programming
IDB-BISEW
Share:

Windows Setup System

Windows 7 setup (উইন্ডোজ ৭ সেটআপ) দেয়ার নিয়ম (ছবিসহ);
Presented By;
***Md.ImAmUdDiN***
01815682307
 Windows 7 সেটআপ দেয়ার আগে জেনে নিতে হবে আপনার কম্পিউটারে এটা চলবে কিনা?
Windows 7 setup
করার জন্য আপনার Computer/Laptop এ কমপক্ষে যা থাকা প্রয়োজনঃ
·  ১. 1 GHz Processor
·  ২. 512MB RAM
·  ৩. 20GB in C Drive
আছেতো আপনার Computer এ এই তিন জিনিস? তাহলে শুরু করুন Windows-7 Setup.

সতর্কতাঃ Windows Setup এর আগে C Drive/Desktop/Documents এর সকল গুরুত্বাপূর্ণ File অন্য Drive সরিয়ে রাখুন। কারন Windows Setup এর কারনে ঐ সব জায়গার সব File চিরতরে হারিয়ে যাবে।
Step-1: BIOS (BASIC INPUT OUTPUT SYSTEM) Setup
Computer
এর Power সুইচ টিপ দেওয়ার পর Display আসার সাথে সাথে F2/Del Key চেপে BIOS এ প্রবেশ করতে হবে।
এখন Boot Option এ গিয়ে 1st Boot : CD/DVD আর 2nd Boot : HD/Hard Disk করে দিতে হবে। F10 চেপে ও Y(Yes) চাপলে BIOS Save হবে এবং Computer restart হবে।
নিচের চিত্র দেখুনঃ


MotherBoard
এর কারনে BIOS এর ধরন ভিন্ন হতে পারে। তবে 1st Boot, 2nd Boot এর ব্যাপারটা সকল ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ একই রকম।

Step-2: Windows-7 Setup........
Computer restart
হওয়ার সময় Press any key to boot from cd or dvd আসার সাথে সাথে Keyboard থেকে যে কোন একটি Button চাপ দিন।


এরপর এই রকম আসবে, এখন অপেক্ষা করুন.........


Next
Click করুন.........


Install Now
তে Click করুন.........


I accept the license terms
Click করে Next Click করুন.........


Windows 7 Home Ultimate
Click করে Next Click করুন.........


Custom
Click করুন.........


Disk 0 Partition 2
তে Click করে Format করুন এবং Next Click করুন.........


হুম, শুরু হল Installing Windows...


Installing updates...


installing updates
শেষে ১০ সেকেন্ড পর Computer restart হবে...


Restart
হচ্ছে......


অপেক্ষা......


User Name
Computer Name লিখে Next Click করুন.........


ইচ্ছে করলে Password দিতে পারেন......

Product key
চাইবে! ভয় পাবেন না! Product key কে পাত্তা না দিয়ে Next Click করুন। এই বার লও খ্যলা......


Ask me later
Click করুন.........


Computer
এর ঘড়ির সময় ঠিক না থাকলে ঠিক করে Next Click করুন.........


Public Network
Click করুন.........


অপেক্ষা....





Restart
হওয়ার পর...






অপেক্ষা আর অপেক্ষা....





:) 
 :) শেষ.........




ধন্যবাদ সহঃ

মুহাম্মদ ইমাম উদ্দিন
ফেসবুকে আমি মুহাম্মদ ইমাম উদ্দিন
আমার Word Press Blog  লিংক http://imamcu07.wordpress.com
Share:

Facebook Page

Popular

Blogger দ্বারা পরিচালিত.

Recent Posts

Who Am I ?

imamcu07Hi there! It's me, Muhammad Imam Uddin, born & raised in Feni, Bangladesh. I always love to play with codes, blogging, website developing, social networking and...
See More →



Facebook Fan Page