• imamcu07 portfolio

    || Portfolio Of Md.ImAmUdDiN ||

    Here is the portfolio link of imamcu07. It's published with free domain and hosting for testing purpose. To see it on-line, please click on image or title of the slide.

  • imamcu07 portfolio website

    || Personal website of imamcu07 ||

    It's another a portfolio of imamcu07. Also published on free domain and hosting. It's a SEO friendly and responsive personal website to description someone's personal details

  • imamcu07 NextGen-IT

    || NextGen-IT static website ||

    NextGen-IT static website is a one page HTML demo company web page. imamcu07 has published it on web for testing purpose. You can see it on-line by clicking on slide or title.

  • MCPD Certification

    || MCPD Certification Of imamcu07 ||

    Here is the certification profile like of MCPD. After successful completion of C#.NET and ASP.NET course from IDB-BISEW, I have acquired MCPD certification with great help of IDB-BISEW.

  • NextGen-IT blog imamcu07

    || NextGen-IT Blog ||

    It's a NextGen-IT google blog for help, support and service of freelancing / outsourcing. This blog published post against SEO, SMM, Website development, WordPress and many mores.

SEO for eCommerce - ই-কমার্স সাইটের জন্য SEO

imamcu07 seo 2018
ই-কমার্স সাইটের জন্য SEO , Anchor টেক্সট,ব্যাকলিংক ই-কমার্স সাইটে কাস্টমার বা ক্রেতা ধরে রাখতে হলে কিংবা নিয়ে আসতে হলে সাইটটি এবং সাইটটির সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া সাইটের পেজ এবং সাইটটির ব্লগটিকে যথেষ্ট পরিমানে লিংকআপ রাখতে হবে । যাতে করে ক্রেতা ধরে রাখতে এই পেজ ও ব্লগগুলো সাইটটিকে ভালোভাবে সাহায্য করতে পারে ।
imamcu07 seo 2018
কিছু কিছু ক্ষেত্রে নিউজ , কোন মজার ঘটনা কিংবা সমসাময়িক কোন বিষয়ের সাথে যে প্রোডাক্টটি কিছুটা সম্পর্কিত মনে হয় সেই প্রোডাক্টটির সাথে লিংক বিল্ডআপ করতে হবে । এরকম আরও বেশকিছু বিষয় সাইটটিকে সার্চ ইঞ্জিনে একটা ভালো অবস্থানে নিয়ে আসবে । কার্যকারী কিছু বিষয় সহয়তা করবে এ বিষয়ে , সেগুলো নিয়েই সাইটটিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে ।
 ১। ইউনিক কনটেন্টঃ
একটি ভিন্নধর্মী কনটেন্ট একজন ক্রেতাকে প্রোডাক্ট এর প্রতি প্রাথমিকভাবে আকৃষ্ট করে তোলে । সুন্দর একটি গোছান লেখা যেকোন মানুষের ভালো লাগে । প্রোডাক্ট এর পরিপূর্ণ একটি বর্ণনাসহ ভালোদিক ও এটা দিয়ে কি করা যাবে এবং কি করা যাবেনা তার একটি বর্ণনা দিতে হবে ।
 ২। ই-কমার্স সাইট ব্লগঃ 
ই-কমার্স সাইটির ব্লগটিকে বিভিন্নভাবে সমৃদ্ধ করতে হবে । প্রোডাক্ট নিয়ে বর্ণনাসহ , সাম্প্রতিক বিভিন্ন তথ্য দিয়ে ব্লগটিকে সমৃদ্ধ করতে হবে । কোন বিষয়ের সাথে কোন প্রোডাক্ট এর যদি কোন সম্পর্ক থাকে তবে সেই বিষয়ের সাথে সেই প্রোডাক্টটির কথা উপস্থাপন করতে হবে । সাথে ব্যাকলিংক দিয়ে সাইটের সেই প্রোডাক্ট এর খোঁজ দিয়ে দিতে হবে । প্রতিনিয়ত নতুন নতুন ব্লগ কন্টেন্ট তৈরি করতে হবে একই বিষয়ের ওপর ।
 ৩। বিভিন্ন ওয়েবসাইটঃ
বিভিন্ন ওয়েবসাইট কিংবা ব্লগগুলোতে ইউজার রিভিউ কিংবা কমেন্ট এর সাথে ই-কমার্স সাইটটির যে তথ্য, ব্লগ কিংবা লেখার সামাঞ্জস্যতা রয়েছে সেগুলো দিতে হবে । ই-কমার্স সাইটের নিজস্ব ব্লগ ছাড়াও আরও কিছু ব্লগিং প্ল্যাটফরম তৈরি করতে হবে এর সহকারী হিসেবে । এতে করে আরও কিছু ক্রেতা বাড়ানোর সাব সোর্স তৈরি হবে ।
 ৪। ব্যাকলিংকঃ
বিভিন্ন সাইটের সাথে ব্যাকলিংক তৈরি করতে হবে সাইটের সাথে । ই-কমার্স সাইটটির সাথে যে যে সাইট যুক্ত আছে তাতে এংকর ওয়ার্ড কিংবা এংকর টেক্সট থাকে কিছু । এ এংকর ওয়ার্ড কিংবা এংকর টেক্সট হচ্ছে যে শব্দটি কিংবা যে বাক্য এর সাথে ই-কমার্স সাইটির ব্যাকলিংক রয়েছে সেই লিংকের শব্দের ওপর মাউজ কারসর রাখলে সেই শব্দে ব্যাকলিংক এর নাম কিংবা ব্যাকলিংকের শব্দ দেখা যায় , যে শব্দের ওপর কারসর রাখলে এ লেখা দেখা যায় সেই শব্দ এংকর ওয়ার্ড কিংবা এংকর টেক্সট ।
imamcu07 seo 2018
এর দ্বারা একজন ব্যক্তি সেই এংকর ওয়ার্ড কিংবা এংকর টেক্সট দ্বারা প্রাথমিকভাবে ব্যাকলিংক এর ব্যাপারে একটি ধারণা পায় । এভাবে অন্য একটি সাইট থেকে ই-কমার্স সাইটে প্রবেশের সুবিধা রাখা যায় , সাথে করে শব্দের সাথে সামাঞ্জস্যতা রেখে সেইরকম প্রোডাক্ট এর ব্যাকলিংক করা থাকলে সেই ভিন্ন সাইট থেকে সরাসরি ক্রেতা তার পছন্দের প্রোডাক্ট এর খোঁজ পেতে পারে ।
 ৫। প্রোডাক্ট ডেসক্রিপশন যাচাইঃ
প্রোডাক্ট সম্পর্কে কনটেন্ট লেখার পর কয়েকবার লেখা মান যাচাই করতে হবে এবং এরপর সেই লেখা বিভিন্ন সাইট কিংবা ই-কমার্স সাইটির ব্লগ কিংবা সাইটের ডেসক্রিপশন এর জায়গায় স্থান দিতে হবে ।
 ৬। সামাজিক যোগাযোগের সাইটঃ
সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন মাধ্যমে সাইটটির ব্লগের লেখা এবং সাইটটি শেয়ার করতে হবে সাইটটির পেজ থেকে এবং বিভিন্ন গ্রুপের মাধ্যমে । যথাসম্ভব একবারের বেশি একই লেখা শেয়ার না করা উচিত । ইউনিক লেখাগুলোই শেয়ার করতে হবে ।
 ৭। গেম কন্টেস্ট কিংবা কুইজঃ
বিভিন্ন গেম কিংবা কুইজের কন্টেস্ট এর আয়োজন করতে হবে এবং সেই আয়োজন করে ই-কমার্স সাইটির সাথে ব্যাকলিংক করতে হবে । যাতে সে প্রতিযোগিতাগুলোতে অংশগ্রহণ করে মানুষ সাইটে গিয়ে ।
 ৮। কাস্টমার রিভিউ ব্যাকলিংকঃ
মাঝে মাঝে কাস্টমার রিভিউ এর ওপর প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা করা যেতে পারে । কে কত প্রোডাক্ট এর ওপর সুন্দর রিভিউ দেয় তা সোশ্যাল মিডিয়ার পেজ থেকে পোস্ট করা যেতে পারে । তার ওপর ভিত্তি করে পুরস্কার দেয়া যেতে পারে । সেই রিভিউর ব্যাকলিংক করা যেতে পারে ।
 ৯। ছবি দিয়ে ব্যাকলিংকঃ
বিভিন্ন প্রোডাক্ট এর ছবি দিয়ে বিভিন্ন সাইটে এর ব্যাকলিংক করা যেতে পারে । এর মাধ্যমে যেমন ক্রেতার কাছে প্রোডাক্ট এর বিজ্ঞাপন বা এড দেয়া যাবে , তার সাথে সাইটতিতে ক্রেতাকে আনার ব্যাপারে আকৃষ্ট করা যাবে এবং সাইটটির একরকম প্রচারণাও হবে ।
 ১০। ইউটিউব চ্যানেলঃ
কোম্পানির একটি নিজস্ব ইউটিউব চ্যনেল কিংবা ভিডিও শেয়ারিং সাইট থাকতে হবে । বিভিন্ন সময়ে সেইসব চ্যানেলে বিভিন্ন বিষয়ের ওপর ভিডিও আপলোড করতে হবে এবং সেই ভিডিও শেয়ার কিংবা সেই ভিডিও এর মাধ্যমে কোম্পানির সাইটের লিংক দিতে হবে । এর মাধ্যমেও সাইটে নতুন কিছু ক্রেতা তৈরি হবে এবং মানুষ ই-কমার্স সাইট সম্পর্কে জানবে ।
Nazmul Hasan Majumder
Share:

Fiverr Rules For New - নতুনদের জন্য ফাইভার রুলস

imamcu07-fiverr-new
Are you new in Fiverr? 

ফাইবারে কাজ শুরুর প্ল্যান করছেন? ফাইবারে নতুন কাজ শুরু করেছেন? তাহলে এই পোস্ট আপনার জন্য। ফাইবারে নতুনরা কাজ করতে নেমে অনেকেই অনেক সমস্যা ফেস করেন আবার অনেকেই ফাইবারে হিডেন রুলসগুলো জানেন না। এক্ষেত্রে অনেকেই শুরুতেই ধাক্কা খেয়ে যান।
imamcu07 fiverr
আজকে সেইসব পয়েন্টগুলো তুলে ধরব যেগুলো মেনে চললে ফাইবারে লং টাইম কাজ করতে পারবেন।
 ১. প্রথমেই আসি ফাইবার প্রোফাইল নিয়ে। ফাইবার প্রোফাইল তার নামেই খুলবেন যার ভোটার আইডি বা পাসপোর্ট আছে। কারন যেকোন সময় ভ্যারিফিকেশনে পড়তে পারেন।
 ২. ফাইবারে যদি আপনি লং টাইম কাজ করার জন্য আসেন তাহলে ফাইবারে কোন দুই নাম্বারি করা যাবে না। ফাইবারে গিগ যেহেতু একটা প্রোডাক্টের মত। প্রোডাক্ট যত আকর্ষনীয় করে তুলবেন তত সেল হবে। ফাইবারে গিগের ইমেজ বা ড্রেসক্রিপশন কখনই কারও কপি করা যাবে না। হ্যা আপনি অন্যদের দেখে আইডিয়া নিতে পারেন তাই বলে কপি করতে পারবেন না। নাছাড়া অনেকদূর এগিয়ে যাওয়ার পর একদিন দেখবেন আপনার গিগ রিমুভ।
 ৩. ফাইবারে অনেক ক্যাটাগরির গিগ রিমুভ করে দিয়েছে যেগুলা অবৈধ কাজের মধ্যে পড়ে যেমন ইউটিউব লাইক,সাবস্ক্রাইব, রিভিউ ইত্যাদি। তাই অবশ্যই ইউনিক বিষয়ে গিগ খুলবেন নাছাড়া অনেকদূর যাওয়ার পর দেখবেন একদিন গিগ রিমুভ।
৪. গ্রুপে অনেক পোস্ট দেখি যে আমি ইংরেজী ভালো পারি না কিন্তু কাজ পারি তাহলে কি আমি ফাইবারে কাজ করতে পারব? উত্তরটা আপনার কাছেই আছে। সাপোস আপনি কাজ পারেন আপনার কাছে একজন জার্মান ক্লায়েন্ট আসছে তার সাথে যদি জার্মান ভাষায় কথা বলতে না পারেন তাহলে আপনি তার থেকে কাজ বুঝে নেবেন কিভাবে আর করবেন কিভাবে। তেমনি ইংলিশ বিষয়টাও সেম। কাজ করার ক্ষেত্রে কমুনিকেশন রাখাটা খুব জরুরী আপনি কাজ না বুঝে নিতে না পারলে কাজ কখনই করতে পারবেন না। আর ইংলিশ বোঝার জন্য একবার একে একবার ওকে নক দিতে তো পারেন না। আর গুগল ট্রান্সলেট কখনই ১০০% রাইট আউটপুট দেয় না। সো আপনার যদি মনে হয় আপনি ইংলিশ পারেন না। তাহলে ২-৩ মাস ইংলিশ শিখুন অন্তত কমুনিকেশন এর মত ইংলিশ জানলেও চলবে। ব্যাপারটা এমন না যে ফাইবারে আপনি ২-৩ মাস পর আসলে কাজ ফুরাই যাবে বা কাজ পাবেন না। ৩. ফাইবারে গিগ খুলে ডাইরেক্ট খুব কম অর্ডার পাওয়া যায়। কারন বায়াররা নিউ সেলারদের উপর তেমন ভরসা করতে পারে না। বায়াররা সময় নষ্ট করতেও চায় না তাই তারা বেশি রিভিউ থাকা গিগগুলোতেই ডাইরেক্ট অর্ডার বেশি করে। সাপোস আপনি এমাজনে যখন একটা প্রোডাক্ট কিনতে যাবেন তখন আপনি নিজেও কিন্তু ভালো রিভিউ প্রোডাক্ট দেখেই কিনবেন। গ্রুপে রেগুলার পোস্ট দেখি গিগ খুলেছি অর্ডার পাই না। তাদের উত্তরটাই এতক্ষন দিলাম। তাহলে অর্ডার পাবেন কিভাবে? অর্ডার পেতে হলে ডেইলি ১০টা ইউনিউকভাবে বায়ার রিকুয়েস্ট করতে হবে। যদি কপি পেস্ট বায়ার রিকুয়েস্ট করেন অর্ডার পাবেন না। আমি বলব না কিভাবে করবেন। জাস্ট বায়ারের জায়গায় নিজেকে বসান আর ভাবুন আপনাকে কিভাবে বললে আপনি প্রোডাক্টটা কিনতেন উত্তর পেয়ে যাবেন। গিগে যখন অনেক রিভিউ আসবে আস্তে আস্তে তখন ডাইরেক্ট গিগ থেকে অর্ডার পাওয়া শুরু করবেন। গিগ খুলেই যদি ৩-৪দিন পর গ্রুপে পোস্ট দ্যান ভাই গিগ খুলছি অর্ডার পাচ্ছি না কি করব তাহলে তো হল না। অনেকে ২-৩ মাস পরও প্রথম অর্ডার পেয়েছিল। ধৈর্যশক্তি আপনার মধ্যে না থাকলে ফ্রিলান্সিং আপনার দ্বারা হবে না। ৪. নতুনদের জন্য বায়ার রিকুয়েস্ট করার জন্য ৮০% সাকসেস রেট থাকতে হবে। সো আপনি অর্ডার পেয়েছেন কিন্তু দেখছেন বায়ার হ্যাপি না তখন ক্যানসিল করে দিন।
৫. প্রথম দিকে আপনার টার্গেট থাকবে প্রতিটা অর্ডারে ফাইবস্টার আনা কারন উপরে আমি লিখে দিয়েছি ৮০% সাকসেস না থাকলে বায়ার রিকুয়েস্ট করতে পারবেন না। তাই ফোকাস কাজের দিকে দিবেন। আর যত কষ্ট হউক বায়ারকে ফুল স্ট্যাটিস্ফাইড করবেন। একটা প্রোফাইল দাড় করাতে হলে প্রথম দিকে অনেক কষ্ট করতেই হবে।
৬. বায়ারের সাথে ইমেইল, স্কাইপি কোনরকম যোগাযোগের মাধ্যম শেয়ার করার ইচ্ছাটাও মনে রাখা যাবে না। মনে রাখবেন ফাইবার আপনার থেকেও অনেক চালাক। বায়ার আপনার সাথে বাইরে যোগাযোগ করতে চাইলে তাকে স্পষ্টভাবে বলেদিন এইটা ফাইবার রুলস ব্রেক করবে তাই আমাদের এখানেই কথা বলতে হবে। কাজের প্রয়োজনে বায়ার আপনাকে ইমেইল দিতে পারে সেক্ষেত্রে সমস্যা নেই।
৭. কাজের প্রয়োজনে কিছু কিছু ওয়ার্ড ব্যবহার করার সময় মধ্যে গ্যাপ দিবেন। যেমন আপনি ওয়েব ডিজাইনে কাজ করেন এক্ষেত্রে পেপাল পেমেন্ট সেট করার জন্য বায়ারের পেপাল একাউন্ট দরকার বা ইমেইল দরকার সেক্ষেত্রে pa ypal, e mail লিখবেন। আর অনেকেই বায়ারকে বাইরে যোগাযোগ করা যাবে না জন্য outside of fiverr এইটা একসাথে লিখেন এইটা করবেন না। কথাটা এভাবে লিখতে পারেন। Sorry fiverr doesn't support to talk outside. So we have to talk here. ৭. ফাইবারে এখন রিউভিউ নিয়ে অনেক কড়াকড়ি। তাই রিভিউ চাওয়ার ক্ষেত্রে সাবধান হবে। যদি দেখেন বায়ার আপনার কাজে সন্তুষ্ট তাহলে ডেলিভারিতে লিখে দিবেন যে, আমার কাজ আপনার যদি ভালো লাগে 5* রিভিউ দিতে ভুলবেন না এইটা আমার অনলাইন ক্যারিয়ার গড়তে অনেক সহায়তা করবে।
imamcu07 fiverr
 ৮. বায়ার মানে হল লক্ষী। বায়ারের সাথে ভালো বন্ধুত্বপূর্ন সম্পর্ক তৈরী করুন। বায়ারকে কিছু এক্সট্রা সুবিধা দিন এতে বায়ার আপনাকে ছাড়া অন্য কোন সেলারের কাছে যাবে না লিখে দিতে পারি। কাজ শেষে ম্যাসেজে তাকে ধন্যবাদ দিন। তার নেক্সটে কোন হেল্প লাগলে আপনাকে যেন নক দেয় বলে দিন। এছাড়া অর্ডার কমপ্লিট হওয়ার পর যদি বায়ার নক করে আপনাকে কিছু হেল্প করে দিতে যদি বলে করে দিন। এতে বায়ার খুশি হবে। আমি নিজেই অনেক করে দেই। ম্যাক্সিমাম বায়ারের কাছে একটা কথা শুনেছি যে তাদের অর্ডার কমপ্লিট হওয়ার পর কোন দরকার হলে সেলারকে নক দিলে ঠিক মত রিপ্লে দেয় না। এই কাজ করবেন না এতে বায়ার আপনার কাছে আর আসবে না। বায়াররা সব সময় হেল্পফুল আর ট্রাস্টেড মানুষ খুজে।
৯. কোন বায়ার যদি আপনাকে খারাপ রিভিউ দেয় এর জন্য তাকে ইনবক্সে বা ফাইবার সাপোর্টে ভুলেও নক দেবেন না। আপনি রিসলুশন থেকে ডাইরেক্ট রিভিউ মডিফাইড এর রিকুয়েস্ট করতে পারেন ডিটেইলস লিখে।
১০. ভেজাল টাইপের বায়ার এড়িয়ে চলুন। আপনাকে সব সময় মাথা কুল রাখতে হবে বায়ার যাই আচরন করুক না কেন। আগেই বলছি আপনার কাজ না পছন্দ হলে ক্যানসিল করে দিবেন নাছাড়া বায়ার সাপোর্টে রিপোর্ট করলে আপনি ওয়ার্নিং খাবেন।
১১. ইন্ডিয়ান , পাকিস্তান ক্লায়েন্ট একদম ই না। বিশেষ করে ইন্ডিয়ানরা নিউ সেলারদের টার্গেট করে। তাই কাজের লোভে তাদের ফাদে পা বাড়াবেন না।
১২. সব সময় অন টাইমের মধ্যে ডেইলিভারি দিবেন। আর যারা গ্রাফিক্সে কাজ করেন ভুলেও ফাকা ডেলিভারি দিবেন না। কিছু না কিছু এটাচ করে দেবেন।
১৩. যদি কখনও দেখেন বায়ার অর্ডার করছে কিন্তু প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট দেয় নাই এইদিকে বায়ার অনলাইনেও আসে না সময় শেষ হয়ে যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে অর্ডার সময় শেষ হওয়ার ৩০ মিনিট আগে ডেলিভারি দিবেন। আর লিখে দিবেন যে, আমি আপনার রেস্পন্স এর জন্য অপেক্ষা করছিলাম না আপনি মে বি ব্যস্ত আছেন। অর্ডার ডেলিভারি সময় শেষ হয়ে যাচ্ছিল তাই আমি ডেলিভারি দিয়েছি। আপনি যখন অনলাইনে আসবেন তখন রিভিশনে ক্লিকে করে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট দিবেন প্লিজ। 
১৪. খুব প্রয়োজন না হলে ভুলেও কখনও সাপোর্টে নক দিবেন না।
১৫. যে গিগে অর্ডার পেয়েছেন ভালো রিভিউ পেয়েছেন সেই ইডিট করবেন না। সর্বপরি আপনাকে ফাইবারে ওনেস্টলি ফাইবারের সব রুলস মেনে চলে কাজ করতে হবে। ফাইবারে সব সময় মনে করতে হবে বায়ার ঠিক আপনি ভুল। বায়ারদের সাথে কখনই বেশি ক্যাচাল করতে যাবেন না কারন তাতে আপনার ই ক্ষতি হবে। ফাইবার সব সময় বায়ারের পক্ষে তাই যা করার বুঝে শুনে করতে হবে। দুই নাম্বারি করে বেশিদিন কখনই টিকে থাকতে পারবেন না। হার্ড ওয়ার্কাররা কখনও পড়ে থাকে না। আপনাকে জাস্ট একটা জিনিস মনে রাখতে হবে। আশে পাশে আপনাকে কেউ হেল্প করবে না ডাইরেক্টলি। তাই যা করার আপনাকেই করতে হবে। আর বিশেষ কারও উপর ভরসা না করে নিজের ভরসাই চলা ভালো আমি মনে করি। গুগল আছে ইউটিউব আছে আর নিজের মাথা আছে। সবগুলোকে কাজে লাগান সফলতা আসবেই। যাই হউক আজকের মত পোস্ট এখানে শেষ করছি।
Shovon Boshak
Share:

ব্লগ এসইও - Blog SEO Tips to bring visitors

SEO Tips to bring visitors imamcu07

SEO Tips to bring visitors:

২০১৮ সালের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি ব্লগ এসইও টিপসঃ

ব্লগ এসইও (Blog SEO ) ওয়েবসাইটে ভিজিটর আনার ওয়েবসাইটের সবচেয়ে কার্যকরী জনপ্রিয় উপায় । ব্লগে নিশ রিলেটেড বিভিন্ন টপিক নিয়ে আলোচনা করে এবং পোস্ট করে ভিজিটরকে বিভিন্ন ধরণের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়ে উপকার করা যায় ।
যার ফলশ্রুতিতে আপনার ব্লগ থেকে পাওয়া তথ্য নিজের প্রয়োজনে ব্যবহার করে যদি সেই ভিজিটর উপকৃত হন, তাহলে তিনি নিজেতো আপনার ব্লগে আবার আসার জন্যে অনুপ্রাণিত হবেন এবং সাথে সাথে তার পরিচিত মানুষদেরও আপনার ব্লগে ভিজিট করার জন্যে অনুপ্রাণিত করবেন । এতে করে আপনার পুরনো ভিজিটরতো আপনি পাচ্ছেন , সাথে নতুন আরও বেশকিছু ভিজিটর তৈরি হচ্ছে ।
blog SEO - ব্লগ এস ই ও imamcu07
এভাবে প্রতিনিয়ত আপনার ব্লগে ভিজিটর বৃদ্ধির সম্ভাবনা তৈরির সাথে সাথে আপনার ব্লগ ট্রাস্ট বাড়বে , যা আপনার ব্লগ জনপ্রিয় হতে দারুণ সহায়ক ভূমিকা রাখবে । ওয়েবসাইটে ভিজিটর আনার কয়েকটি Blog SEO ( ব্লগ এসইও)  টিপস।
Blog Comment: 
ব্লগ কমেন্ট করে সাইটের জন্যে dofollow এবং nofollow ব্যাকলিংক নেয়া যায় । আপনার ব্লগ রিলেটেড বিভিন্ন হাই অথরিটির বিভিন্ন ব্লগের পোস্টে কমেন্ট করে লিংক নেয়া যায় । কারণ অনেকেই আপনার কমেন্ট পড়ে আপনার নাম দিয়ে যে লিংক তৈরি করে গেছেন অন্য ব্লগে সেখানে ক্লিক করে আপনার সাইটে আসবে ।
Guest Post:
গেস্ট পোস্ট সবচেয়ে বেশি কার্যকরী ভূমিকা রাখে ব্লগে ট্রাফিক বা ভিজিটর বাড়ানোর ক্ষেত্রে। আপনার ব্লগে যে ধরণের নিশ প্রোডাক্ট বা বিষয় নিয়ে পোস্ট দেন , সেই ধরণের বিভিন্ন হাই ডোমেইন ও পেজ অথরিটির ব্লগ অনলাইনে খুঁজে বের করতে হবে ,যারা আপনাকে গেস্ট পোস্ট করার সুযোগ দেবে এবং সেই সাইট থেকে লিংক নিতে দিবে । এতে করে সেই নিশ রিলেটেড সাইটের পোস্ট থেকে কিছু ভিজিটর আসার সম্ভাবনা তৈরি হবে এবং আপনার ব্লগের র‍্যাংকিং বাড়বে , ভালো একটি লিঙ্কবিল্ডিং তৈরি হবে। এছাড়া প্রয়োজনে ভালো পেইড গেস্ট পোস্টিং করতে পারেন ।
Social Networking:
সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে বর্তমান সময়ে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের কাছে। আপনি আপনার নিজ ওয়েব ব্লগ সাইটটির পোস্ট আপনার নিজস্ব সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট একাউন্ট থেকে আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করতে পারেন বা সোশ্যাল সাইটে আপনার ওয়েবসাইটের নামে করা পেজ থেকে পেইড শেয়ার করতে পারেন। আপনার পোস্ট যদি ভাইরাল হয় , তবে অনেক ইউনিক ভিজিটর পাবেন আপনার সাইটে , যারা পরবর্তীতে আপনার ব্লগের নিয়মিত পাঠক হয়ে যেতে পারেন। কিছু সোশ্যাল নেটওয়ার্ক সাইট -যেমনঃ Facebook , Twitter, Instagram, Pinterest, LinkedIn ইত্যাদি ।
Social Bookmarking:
Digg, StumbleUpon প্রভৃতি মতন সোশ্যাল বুকমার্কিং সাইটগুলো আপনার ওয়েবসাইটের পোস্ট লিংক প্রমোট করার ক্ষেত্রে এবং সাইটের অবস্থান দৃঢ় করায় অন্যতম শক্তিশালী ভূমিকা পালন করবে।
Video Sharing:
Youtube, Vimeo এর মতন জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং সাইটগুলোতে ব্লগের সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ভিডিও শেয়ার করা যায় ব্লগ সাইটের নাম অনুযায়ী ভিডিও চ্যানেল করে। এতে করে যেসকল ব্যক্তি ব্লগ সাইটে ভিজিট করতে চায় , তারা খুব সহজে চ্যানেল থেকে লিংক ফলো করে ব্লগে যেতে পারবে। ভিডিও অনেক জনপ্রিয়তা পেলে অনেক ট্রাফিক তৈরি হবে,এভাবে ব্লগে নতুন ভিজিটর আনা যাবে ।
Forum Post & Comment:
ফোরামে বিভিন্ন দরকারি বিষয় নিয়ে আলোচনা করা যায় ।বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রশ্ন এবং উত্তর দেয়া যায় এবং এর থেকে ডু ফলো লিংক নেয়া যায় ।যা অনলাইনের অন্যান্য সাইট থেকে আপনার ওয়েবসাইটের অবস্থান ভালো করার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে ।
blog SEO - ব্লগ এস ই ও imamcu07
V7nForum, Digital point Forum ইত্যাদি ফোরামে পোস্ট করা যায় । Eamil Outreach:
ই-মেইল এর মাধ্যমে প্রমোশন করতে পারেন ব্লগ এর বিভিন্ন পোস্টসমূহ ,এবং আপনার ব্লগে সাবস্ক্রাইব সিস্টেম রাখতে পারেন , যাতে করে যারা আপনার ব্লগ সাইটের পোস্টগুলো বিষয়ে আপডেট পেতে পারে । এভাবে যেভাবে অনেক ই-মেইল এড্রেস নতুন পাচ্ছেন , ঠিক তেমনি অনেক সময় ধরে কিছু পাঠক পাবেন । মেইলচিম্প এর মতন অনেক ইমেইল সার্ভিস প্রতিষ্ঠানের সেবা গ্রহণ করে ইমেইল পাঠাতে পারেন।
Search Engine Submission:
Google , Yahoo, Bing এর মতন বিভিন্ন জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিনে আপনার ব্লগ সাবমিট করতে পারেন । কারণ অনেক সময় সার্চ ইঞ্জিনগুলো থেকে আপনার ব্লগ পোস্টের কিওয়ার্ড ধরে অনেক নতুন ভিজিটর আপনার সাইটে আসার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
Article Submission:
ব্লগে ভিজিটর আনতে বর্তমান সময়ে অন্যতম জনপ্রিয় একটি উৎস হচ্ছে আপনার ওয়েব ব্লগের পোস্টসমূহ বিভিন্ন আর্টিকেল সাবমিশন সাইটে সাবমিট করা। Articlesphere , Ezine এর মতন আর্টিকেল সাবমিশন সাইটে ব্লগের জনপ্রিয় পোস্ট সাবমিট করলে ,তা পাঠকদের কাছে সুন্দর লাগলে পাঠকরা আপনার ব্লগে আসবে । এছাড়া আপনার ব্লগ পোস্ট অনেক সোশ্যাল সাইটে শেয়ার হবে , এতে করে দ্রুত ট্রাফিক তৈরি হবে এবং ব্লগের র‍্যাংকিং ভালো হবে ।
PPC Add:
Pay per click বা পিপিসি এর মাধ্যমে নিশ প্রোডাক্ট কিওয়ার্ড টার্গেট করে ক্রেতার কাছে পৌঁছানোর জন্যে পেইড বিজ্ঞাপন দেয়া যায়। এতে পিপিসির মাধ্যমে অন্য সাইট থেকে বেশি ওয়েব ট্রাফিক পেতে হলে খরচ করতে হবে । ডিরেক্টরি সাবমিশন ওয়েবসাইটকে বিভিন্ন ওয়েব ডিরেক্টরিতে নিশ ক্যাটাগরি অনুযায়ী সাবমিশন করা যায় । DMOZ , Pegasus ,Worldweb-directory এরকম আরও অনেক ওয়েব ডিরেক্টরি আছে।
Image Sharing:
ফটোবাকেট, ফ্লিকার এর মতন বিভিন্ন ফটো শেয়ারিং সাইটে ওয়েবসাইট ব্লগের ছবি শেয়ার করা যায় , এধরণের বিভিন্ন সাইটে অনেক ভিজিটর আসে । যেখান থেকে অনেক ভিজিটর আপনার ব্লগের জন্যে পেতে পারেন ।
Link Sharing:
বিভিন্ন ওয়েবসাইটের সাথে আলোচনা করে ওয়েব লিংক শেয়ার করা যায় । এখানে অনেকগুলো ওয়েবসাইট প্রয়োজন হবে, সরাসরি এক ওয়েবসাইট থেকে আরেক ওয়েবসাইট থেকে লিংক না নিয়ে বেশ কিছু ওয়েবসাইটের চেইন বিল্ডআপ করে লিংক বিনিময় করতে হবে । তাহলে গুগল এলগোরিদমেও সমস্যায় পরতে হবেনা।
Document Sahring:
ওয়েবসাইটের বিভিন্ন তথ্য সমৃদ্ধ ডকুমেন্ট , ব্যবসায়িক ডকুমেন্ট প্রভৃতি জনপ্রিয় ডকুমেন্ট শেয়ারিং সাইটে যেমন- Slideshare, Issuu ইত্যাদিতে শেয়ার করা যায় ।
Reference Link:
বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে প্রয়োজনীয় অনেক তথ্য প্রয়োজন পরে , সেইসব তথ্য বিভিন্ন বিষয়ের ওপর রিসার্চ করা তথ্য হতে পারে । এরকম তথ্য দিয়ে কোন ওয়েবসাইটের কোন আর্টিকেল তৈরি করার ক্ষেত্রে আপনার সাইট সাহায্য করতে পারে । এতে সে আর্টিকেল থেকে আপনি রেফারন্স লিংক পেতে পারেন ।
Press Realese Sharing:
ওয়েবসাইটের ব্লগে কিছু প্রেস রিলিজ করা যায় এবং বিভিন্ন প্রেস রিলিজ সাইটে শেয়ার করা যায়। ওপেন পিআর, পিআরলিপ এর মতন বিভিন্ন ওয়েবসাইটে প্রেস রিলিজ দেয়া যায়।
________
শুভেচ্ছা রইল আপনার প্রতি এবং ভালো থাকুন ।
লিখেছেনঃ Nazmul Hasan Majumder
Share:

Smart Phone Security Code - স্মার্টফোন এর গোপন সিকিউরিটি কোড

smart phone security imamcu07

স্মার্টফোন এর গোপন সিকিউরিটি কোড:

জেনেনিন স্মার্টফোনের ২০টি গোপন সিকিউরিটি কোড । মোবাইল ব্যাবহার করছেন না কিন্তু অনলাইনে এই টিউন পরছেন এমন মানুষ অসম্ভব এখন পাওয়া আর যেহুতু মোবাইল এর ব্যাবহার বেরেছে তি সেই সাথে বেড়েছে সমস্যা তবে ভালো দিক হল সমস্যা যেখানে আছে সেখানে ১০০টি সমাধান ত থাকবেই।
smart phone security imamcu07

স্মার্টফোনের ২০ টি গুরুত্বপূর্ণ সিকিউরিটি কোড, যা যেকোনো সময় কাজে লাগতে পারে।
 ১. রিসেট ফোন- *2767*3855#
২. IMEI জানতে- *#06#
৩. লক স্ট্যাটাস- *#7465625#
৪. ব্যাটারী ও ফোনের তথ্য- *#*#4636#*#*
৫. FTA এর ভার্সন- *#*#1111#*#*
৬. টাচস্কীন কোড- *#*#2664#*#*
৭. ভাইব্রেট ও ব্যাকলাইট টেষ্ট- *#*#0842#*#*
৮. হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার ডিটেইলস্- *#12580*369#
৯. ডায়গনস্টিক কনফিগার- *#9090#
১০. ডাম্প সিস্টেমো মোড- *#9900#
smart phone security imamcu07

১১. ক্যামেরার তথ্য জানতে- *#*#34971539#*#*
১২. ফ্যাক্টরী হার্ড রিসেট- *#*#7780#*#*
১৩. ডাটা ক্যাবল কন্ট্রোল- *#872564#
১৪. জিপিএস টেষ্ট- *#*#1472365#*#*
১৫. ওয়াইফাই ম্যাক এড্রেস- *#*#232338#*#*
১৬. ব্লুটুথ ডিভাইস ইনফো- *#*#232337#*#*
১৭. র্যামের ভার্সন- *#*#3264#*#*
১৮. টাচস্কীন ভার্সন- *#*#2663#*#*
১৯. ডিসপ্লে টেষ্ট- *#*#0#*#*
২০. প্যাকেট লুফ টেষ্ট- *#*#0283#*#*
Share:

Upwork Profile -আপওয়ার্ক প্রোফাইল কিভাবে সাজাবেন?

upwork imamcu07

আপওয়ার্ক প্রোফাইলঃ

আপওয়ার্ক  (Upwork) অনেকেই প্রশ্ন করেন আপওয়ার্কে প্রথম জব কেন পাচ্ছেন না? বা নিয়মিত জব পেতে কেন সমস্যা হচ্ছে। এর একটা বড় কারণ হতে পারে আপনার আপওয়ার্ক প্রোফাইল (Upwork Profile)।
হ্যাঁ, ঠিকই বলা হচ্ছে। সবার প্রথমেই ক্লাইন্ট দেখবে আপনার প্রোফাইল। আপনি যতোই দক্ষতা নিয়েই কাজে নামতেছেন না কেন প্রোফাইল দেখেই তা বিবেচনা করতে পারবে ক্লাইন্ট। তাই শুরুতেই আপনার প্রোফাইলের প্রতি নজর দিতে হবে।
upwork profile imamcu07
 কিভাবে আপওয়ার্ক প্রোফাইল সাজাবেনঃ যেহেতু শুরুতেই নতুন কোন ক্লাইন্ট হায়ার করতে আসলে আপনার প্রোফাইল দেখতে পারবে সেহেতু শুরুতেই আপনাকে আপওয়ার্ক প্রোফাইল সাজিয়ে নিতে হবে। সেকারণে আপনার জানা দরকার প্রোফাইলের কোথায় কোন বিবরণ দিতে হবে এবং কিভাবে। আর অবশ্যই সম্পূর্ণ প্রোফাইল সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। আসুন জেনে নেই কিভাবে? Overview: প্রোফাইলের শুরুতেই রয়েছে ওভারভিউ বা সংক্ষিপ্ত বিবরণ। এখানে আপনি কে, কি করেন, কি করতে পারেন এবং শিক্ষা বিষয়ক তথ্য দিতে পারেন।
সবচেয়ে ভালো হয় শুরুতে আপনার ছোট করে পরিচয়, এরপর আপনার স্কিল সমূহ, কোথা থেকে শিখেছেন বা কেন এই স্কিল আপনার ভালো লাগে ইত্যাদি লিখতে পারেন। আর চেষ্টা করবেন সুন্দর করে গুছিয়ে মার্জিত ভাষায় লিখতে। বানান ভুল বা এলোমেলো শব্দ যেন না থাকে সেদিকে পূর্ণ দৃষ্টি দিন। আপনি ৫০০০ শব্দের ভিতর ওভারভিউ লিখতে পারবেন। কিন্তু ১০০০ শব্দের ভিতর গুছিয়ে লিখতে পারলে সবচেয়ে ভালো। আর প্রথম ২৫০ শব্দ ক্লাইন্ট শুরুতেই দেখতে পারবে। তাই সবচেয়ে জরুরী বিষয়গুলো প্রথমেই লিখতে চেষ্টা করুন। অন্য বিষয়গুলো পরের পয়েন্টগুলোতে বর্ণনা করা হয়েছে। Picture/Photo: আপনার ছবি আপনার সম্পর্কে সবচেয়ে ভালো বলতে পারবে। মুখে হাসি নিয়ে সামনের দিকে তাকানো একটা ছবি হলেও আপনার কাজ পাবার চান্স বাড়বে। ছবি চয়েসের ক্ষেত্রে প্রফেশনাল ছবি ব্যবহার করলে কাজ পাবার সম্ভাবনাও বৃদ্ধি পায়। ছবি তোলার ব্যাপারে কিছু টিপস এবং পর্যাপ্ত উদাহারণসহ আপওয়ার্কের Guide for Your Perfect Profile Picture পোস্টটি দেখতে এবং ফলো করতে পারেন। Hourly Rate: প্রতি ঘণ্টায় আপনি কতো হলে কাজ করবেন সেটা খুব ভেবে চিন্তে সেট করুন। আপনার স্কিল এবং দক্ষতার যথাসম্ভব যাচাই করে সেভাবেই সেট করতে চেষ্টা করুন। যাতে রেট খুব বেশি বা খুব কম না হয়। আপনার দক্ষতা কিরকম এবং আপনি সেই দক্ষতা সম্পর্কে কতোটুকু অভহিত তাও এই ঘণ্টা প্রতি রেট দিয়ে ক্লাইন্ট বুঝতে পারবে। অবশ্যই স্কিল অনুসারে এক একজনের ক্ষেত্রে এই রেট এক এক রকম হবে সেটাও লক্ষ্য রাখতে হবে। আর বিড করার সময় এই রেট এর সাথে মিল রেখেই বিড করবেন। যেমন আপনার ঘণ্টা প্রতি রেট যদি ৫ ডলার হয় তাহলে ৪ থেকে ৬ ডলার রেট এর ভিতরেই বিড করুন। তবে কোন ভাবেই খুব কম বা খুব বেশি চাইবেন না। যেমন প্রোফাইলে লিখা ৫ ডলার কিন্তু চাইলেন এক ডলার বা ১০ ডলার। এতে শুরুতেই ক্লাইন্ট আপনাকে নেগেটিভ হিসেবে নিয়ে প্রপোজাল বাতিল করবে। Skills: Skills বা স্কিলও খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং সঠিকভাবেই নির্ধারণ করতে হবে। আপনি যেসকল বিষয়ের উপর কাজ জানেন, যেসকল বিষয়ে আপনার দক্ষতা রয়েছে সেসকল স্কিল নির্ধারণ করুন। অনেকসময় ক্লাইন্ট নির্দিষ্ট স্কিলের উপর ফ্রীল্যান্সারদের প্রোফাইল সার্চ করে থাকে এবং সঠিক স্কিল বাছাই করার মাধ্যমে আপনি সেই সার্চ লিস্টে স্থান পেতে পারেন। তাছাড়া আপওয়ার্ক থেকে নিয়মিত আপনার স্কিলের উপর ভিত্তি করে সেসকল স্কিলে আসা নতুন জব সাজেশন করবে বিড করার জন্য। জব ফিডেও এসকল স্কিলের উপর থেকেই জব দেখানো হবে। তাই ভুল স্কিল বাছাই করলে বরং আপনি সঠিক কাজগুলো ফিডে পেতে মিস করবেন।

 Take Tests: 

আপনি যেসকল স্কিল নির্ধারণ করবেন, সেগুলোর উপর পরীক্ষা দিন এবং তা প্রোফাইলে দেখান। কেননা এর মাধ্যমে আপনি আপনার দক্ষতা সম্পর্কে ক্লাইন্টকে বলতে পারছেন। তবে শুধুমাত্র আপনি যেসকল স্কিলে দক্ষ সেগুলোই বাছাই করুন পরীক্ষা দিতে। যদি প্রথম চেষ্টায় ভালো ফলাফল না পান, কিছুদিন সময় নিয়ে আবারো চেষ্টা করুন পরীক্ষা দিতে এবং আগের থেকে ভালো রেজাল্ট করতে।

 Build a Portfolio:

পোর্টফলিও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যেসকল কাজ পারেন এবং করেছেন সেগুলোই এখানে তুলে ধরুন। ওয়েবসাইট ডিজাইনার হলে ওয়েবসাইটের লিংক দিন যেগুলো আপনি তৈরি করেছেন। গ্রাফিক্স ডিজাইনার হলে আপনার তৈরি করা কিছু লোগো বা অন্যান্য গ্রাফিক্সের নমুনা দিন।
imamcu07
লেখক হলে আপনার ব্লগে থাকা আপনার লেখার লিংক দিন। এভাবে ক্লাইন্টকে আপনার কাজের নমুনা দেখাতে পারছেন এবং আপনি কতোটুকু দক্ষতা রাখেন তাও বুঝাতে পারছেন। অনেকসময় একটি সঠিক পোর্টফলিও অনেক কাজ এনে দিতে পারে। তাই সুন্দরভাবে আপনার প্রোফাইল কাজের নমুনা দিয়ে সাজিয়ে তুলুন।

 Certifications: 

আপনার স্কিলের উপর যদি সার্টিফিকেট থাকে যেমন যেখানে কোর্স করেছেন সেখান থেকে দেয়া বা অনলাইনে পরীক্ষা দিয়ে নেয়া সার্টিফিকেটগুলো দেখাতে পারেন। অনেক স্কিলের উপর অনলাইন কোর্স রয়েছে যেগুলো স্কিলগুলোর ডেভেলপার থেকেই দেয়া হয় সেগুলো এক্ষেত্রে বেশি কার্যকর। কিছু কিছু ক্ষেত্রে যদিও কিছু স্কিলের উপর কোন রকমের সার্টিফিকেশন থাকে না সেক্ষেত্রে এড়িয়ে যান অথবা শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট দেয়া যায়। যদিও সরাসরি কাজ পেতে শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট কাজে আসে না তবে প্রোফাইল সম্পূর্ণ করতে প্রয়োজন বিধায় দেয়া যায়। আর এডুকেশনের ব্যাপারে আলাদা মেনু রয়েছে। সেখানে সার্টিফিকেট আপলোড না করলেও চলবে।

 Employment History: 

যদি আপনি কোথাও পূর্বে চাকরি অথবা পার্টটাইম কাজ করে থাকেন তাহলে সেগুলো এখানে উল্লেখ্য করতে পারেন। অনেকসময় সরাসরি কাজে না আসলেও অভিজ্ঞতা বুঝতে ক্লাইন্টকে এই তথ্য সহায়তা করে। যদি একাদিক স্থানে চাকরি করে থাকেন, বাছাই করে গুরুত্বপূর্ণ বর্ণনাগুলো যুক্ত করুন। আর যদি পূর্বে কাজ করার অভিজ্ঞতা না থাকে তাহলে ভুল তথ্য দেয়া উচিৎ হবে না।

 Be Honest: 

যথা সম্ভব সত্য উপস্থাপন করুন। আপনি ইংলিশ কম পারেন, তাহলে যতোটুকু পারেন সেটাই বলুন। কেননা ক্লাইন্ট ঠিকই জেনে যাবে আপনি কতোটুকু দক্ষ। আর কাজ করতে খুবই কম ইংলিশ জানা বা কথোপকথন প্রয়োজন হয়। যদি আপনি কাজে আসলেই দক্ষ হয়ে থাকেন, তাহলে কথা না বলেই আপনি সহজে কাজ সম্পূর্ণ করতে পারবেন। ফলে আপনার ইংলিশ না জানা বা এরকম কিছুই লুকাতে হবে না। সঠিকটি লিখুন। কাজ পেতে সহায়তা হবে। এক্ষেত্রে যে শুধু ইংলিশ কম জানেন সেটা বলবেন তা কিন্তু নয়। অনেক সময় সহায়ক স্কিল কম পারতে পারেন সেটা বলতে পারেন যেমন ওয়েব ডেভেলপার হলে যদি জাভাস্ক্রিপ্ট কম পারেন সেটা বলুন। অথবা গুগল অ্যাডসেন্স নিয়ে কাজ করার সময় ডিএফপি কম পারেন সেটা বলুন। লুকানোর কোন প্রয়োজন নেই। বরং লুকালে ক্লাইন্ট মিথ্যাবাদী হিসেবেই দেখবে এবং আপনাকে কাজ দিতে চাইবেও না। আশা করছি এই তথ্যগুলো অনুসরণ করে সঠিকভাবে আপনার প্রোফাইল সাজিয়ে নিতে পারবেন। আপনাকে অবশ্যই প্রোফাইলের প্রতি নিয়মিত সময় দিতে হবে। যত বেশি প্রোফাইল আপডেট রাখবেন ততবেশি কাজ পাবার সম্ভাবনা তৈরি করতে পারবেন। যদি আপনি নিয়মিত কাজ পেয়েও থাকেন তাহলেও নিয়মিত প্রোফাইলে সময় দেয়া উচিৎ। কোন মন্তব্য থাকলে বা কিছু না বুঝলে আমাদেরকে কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে পারেন।
Share:

Freelancer Story- ফ্রিল্যান্সার হয়ে ওঠার গল্প


freelance success imamcu07

ফ্রিল্যান্সার হয়ে ওঠার গল্পঃ

২০১২ সালঃ

সবে মাত্র SSC পাশ করি, বন্ধুরা সবাই যখন ভাল ভাল প্রাইভেট কলেজে ভর্তি হওয়া নিয়ে ব্যাস্ত তখন আমি ও আব্দুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ থেকে ভর্তি ফর্ম নিয়ে বাসায় আসি। কিন্ত আমার আর প্রাইভেট কলেজে ভর্তি হওয়া হয়নি কারণ পরিবার সেই খরচটা বহন করার মত অবস্থায় ছিল না। আমার মন ভেঙ্গে যায় আর সেই সাথে অনেক স্বপ্ন, ইচ্ছা ছিল বড় হয়ে সেনাবাহিনীতে যোগ দেব আর সেই জন্য একটা ভাল কলেজে পড়াশুনাটা খুব জরুরী ছিল। আমার বন্ধুরা সবাই বিভিন্ন কলেজে ভর্তি হয়ে যায় আর আমি তখনো কোথাও ভর্তি হইনি। এভাবে বাসায় বসে কেটে যায় আরও ২-৩ মাস, হঠাৎ এক বন্ধুর সাথে দেখা আর সে তখন বলতেছিল সে ডিপ্লোমাতে ভর্তি হবে।
আমি তখন ডিপ্লোমা সম্পর্কে তেমন বেশি কিছু জানতাম না তবে ডিপ্লোমাতে নাকি কম্পিউটার সাবজেক্ট আছে আর খরচ অনেক কম। এই কথাটা আমার মাঝে এক নতুন স্বপ্নের জন্ম দিয়েছিল এবং আমি ডিপ্লোমাতে ভর্তি পরীক্ষা দেই। সাবজেক্ট হিসেবে কম্পিউটার আর ইন্সিটিউট হিসেবে নরসিংদী পলিটেকনিক ইন্সিটিউট দিয়েছিলাম আর রেজাল্ট এ NPI এর CSE Department এ আমার নামটাই সবার আগে এসেছিল এবং ৪ বছর পর আলহামদুলিল্লাহ ক্লাসের সবচেয়ে ভাল রেজাল্ট ও আমার ভাগ্যেই ছিল।
freelance success imamcu07
আর সেই থেকে আমার এক নতুন পথচলা শুরু হয় এবং সূচনা হয় আমার জীবনে এক নতুন অধ্যায়ের । আমি যখন ৩য় সেমিস্টারে পরি তখন এক রকম পরিবার থেকে জুড় করে একটা কম্পিউটার আদায় করি কিন্তু সেটা খুব ভাল মানের ছিল না core to duo processor এর কম্পিউটার । ডিপ্লোমাতে গরীব ও মেধাবী স্টুডেন্টদের বিশ্ব ব্যাংক থেকে stipend (বৃত্তি) দেয়া হয় আর সেই লিস্ট এ আমারও নাম আসে। আমাদের সময় প্রতি সেমিস্টার এ ৪৮০০ টাকা দেয়া হত। আমি সেই core to duo processor এর কম্পিউটার টা বিক্রি করেদেই এবং আমার ডিপ্লোমা থেকে পাওয়া কিছু টাকা সেই সাথে আগের পুরাতন কম্পিউটার এর কিছু টাকা আর মায়ের কিছু জমানো টাকাসহ সব মিলিয়ে ৪১৩০০ টাকা দিয়ে ASUS X555LA ল্যাপটপ কিনেছিলাম সেই ১৪ সাল এর মাঝামাঝি সময়ে। আর সেই থেকে এখন পর্যন্ত এটাই আমার সর্বক্ষণের সঙ্গী। একদিন গুগল এ বাংলায় সার্চ করতেছিলাম কম্পিউটার, সফটওয়্যার, বাংলাদেশী কম্পিউটার ইত্যাদি লিখে, হঠাৎ অসীম কুমার পাল এর HTML শেখার বই পেয়ে যাই এবং web design সম্পর্কে জানতে পারি। YouTube এ Web Development সম্পর্কিত প্রচুর resources খুজে পাই কিন্তু সমস্যা হল ইন্টারনেট। তখন আমাদের এলাকায় ইন্টারনেট বলতে শুধু মাত্র 2G ইন্টারনেট ছিল। এভাবে কচ্ছপ এর চেয়ে ও ধীর গতিতে 2G ইন্টারনেট নিয়ে চলতেছিল আমার নিজের পাঠশালা যেখানে আমি নিজেই শিখক নিজেই ছাত্র।

 ২০১৭ সালঃ 

আমার জীবনের সবচেয়ে ব্যাস্ত সময়.........। কত রাত যে নির্ঘুম কেটেছে আমি নিজেও জানি না। আমাদের ডিপ্লোমা কোর্স শেষ, তাই সবাই চাকরি খোঁজায় ব্যাস্ত, কেউ কেউ চাকরি পেয়ে ও গেল কিন্ত আমি তখনো স্বপ্ন দেখি আমি ফ্রিলান্সার হব। প্রতিবেশী, আত্মীয়স্বজন, বন্ধু-বান্ধব সবাই আলোচনা সমালোচনা করতো। ডিপ্লোমা পাশ করা একটা ছেলে বেকার বসে থাকলে যা হয় আর কি ।
আমি এক রকম দিশেহারা হয়ে পরেছিলাম এবং মনে মনে সিদ্ধান্ত নিলাম ২০১৭ সালের মধ্যে আমি ১ ডলার হলে ও উপার্জন করব আর যদি সেটা করতে না পারি তাহলে ফ্রিল্যান্সিং ছেড়ে দিয়ে অন্য কিছু চিন্তা করব। UpWork এ account করেছিলাম ২০১৬ সালে এবং ৪ টা কাজে অ্যাপ্লাই করেছিলাম কিন্তু কোন response পাইনি, তাই UpWork নিয়ে research করা শুরু করলাম। অনেক টপ রেটেড ফ্রীলান্সারদের প্রোফাইল ঘাটাঘাটি করে আমি তাদের সবার প্রোফাইল এ ২ টা ইউনিক বিষয় খেয়াল করি।
১ম: Overview 
এবং
২য়: Portfolio. 
আর তাই সিদ্বান্ত নিলাম নিজের প্রোফাইলকে যতটা সম্ভব ইউনিক ভাবে উপস্থাপন করব। কিন্তু portfolio তে দেওয়ার মত ইউনিক কোন কিছুই ছিল না। সব psd template গুলো google থেকে নেয়া এবং এগুলো অন্য কারো না কারো তৈরি করা ( যদিও সবগুলোই open source ছিল)।
ব্যাপারটা আমার personality তে আঘাত করে। তারপর Graphic Design ও শিখতে আরম্ভ করি। কয়েক মাস চেষ্টার পর ThemeForest এ আমার প্রথম Napa PSD (66 PSD's) টি approve হয় (After four times soft-rejection) এবং সেই দিনই আমি প্রথম সেল পাই এবং ৬ ডলার উপার্জন করি। সেই দিনটার কথা আমার আজও স্পষ্ট মনে পরে, আনন্দ আর উচ্ছাসে ভরপুর ছিল সেই দিনটি। তবে সেই সুখ বেশিদিন ছিল না। ৫ দিনে ৬ টা সেল হয় এবং আমি প্রায় $30+ উপার্জন করি কিন্তু আর কোন সেল নেই। মানে আমার প্রতিটি ডিজাইন করা পেইজ এর average price $0.5 এর কম। তবুও আমার আগ্রহের কোন কমতি ছিল না। তারপর, একটা ওয়ান পেজ HTML Template তৈরি করি এবং ১৪ ডলার করে ৪ বার সেল হয়।
আমি এই অল্প উপার্জনেও আনন্দিত ছিলাম কারণ আমার ২০১৭ সালের টার্গেট আমি পূরণ করতে সক্ষম হয়েছিলাম। 103+ pages Napa Multipurpose HTML template তৈরি করলাম প্রায় ৩ মাসে, 2 বার soft-reject সহ সব মিলিয়ে approval পেতে সময় লেগে যায় প্রায় ৫ মাস। অবশেষে ২২ মে ২০১৭ তে approve. আমি খুব excited ছিলাম কিন্তু টোটাল সেল পাই মাএ ১১ টা, সপ্তাহ খানেক পর আর কোন সেল নেই। আমার মনে আছে, একদিন কেউ একজন আমাকে ফেইসবুক এ মেসেজ দিয়ে জিজ্ঞাসা করল :- Napa HTML কি আপনার? আমি: জি। ১০৩ পেইজ আর মাএ ১১ টা সেল? হা হা হা...... আমি: চুপচাপ মেসেন্জার থেকে ব্লক করে দিলাম। জীবনে বাথরুমে গিয়ে চিল্লায়া কান্না করেছিলেন কোনদিন? না করলে বুঝবেন না এর ফিলিংসটা কেমন। আমি বুঝেছিলাম। এবার সিদ্বান্ত নিলাম মার্কেট রিসার্চ করে তারপর আবার ThemeForest এ কাজ শুরু করব। গত রমজানে Gorilla নামে একটি Landing HTML template(with PSD's) তৈরি করি এবং ১৮ ডলার করে এখন পর্যন্ত ৮৬ টি সেল পাই। তারপর Hornbill তৈরি করি যা থেকে এখন পর্যন্ত পাই ৫৬ টি সেল। এভাবে এক এক করে আমার upWork এর portfolio ঝুড়িতে নিজের তৈরি করা কাজ জমা হতে শুরু করে।

 ২০১৮ সালঃ

আমার জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় বছর। ইতিমধ্যে কয়েকটা ছোটখাট কাজ পেয়ে যাই UpWork এ যার মধ্যে প্রথম কাজটা পাই Aleksandar Ackovaski নামক একজন client এর মাধ্যমে যিনি Napa HTML template কিনেছিলেন এবং কিছু customization এর জন্য আমার সাথে contact করে এবং আমি তাকে UpWork এ নিয়ে এসে কাজটা করে দেই। সেই থেকেই UpWork নিয়ে আমার পথচলা শুরু হয়। বর্তমানে, একটা UK কোম্পানিতে Full Time Employee হিসেবে কাজ করতেছি। ক্লায়েন্ট কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, ৫০+ এপ্ল্যাই তার মানে নিশ্চয়ই আমার চেয়ে কম রেটে আরও expert অনেকে ছিল কিন্তু আমার কোন জিনিষটা তোমার কাছে সবচেয়ে আলাদা লেগেছিল যে কারণে তুমি আমাকে সিলেক্ট করলে? ক্লায়েন্ট এর রিপ্লে: Your cover letter & portfolio.

freelance success imamcu07
 আলহামদুলিল্লাহ এখন প্রতি মাসে six figure salary পাই। যেহেতু Full Time Employee তাই office hours এ কোন কাজ না থাকলেও মাস শেষে বেতন পাই। ভার্সিটির ক্লাস কিংবা পরীক্ষা থাকলে ইচ্ছা মত ছুটি কাটাই, নিজের পছন্দমত timezone এ করে কাজ করি আর প্রতি সপ্তাহে weekend তো আছেই। এখন আর রাত জেগে কাজ করতে হয় না। জীবন যে এত সুন্দর হয় সেটা আমার এর আগে জানা ছিল না। আমার আত্মীয়স্বজন, বন্ধু-বান্ধব সবাই এখন আমাকে নিয়ে গর্ভ করে। ২০১৭ সালে যেই আমি দুশ্চিন্তা আর হতাশায় রাতে ঘুমোতে পারতাম না সেই আমি ২০১৮ সালে আমার পরিবারকে নতুন স্বপ্ন দেখাই।
 অবসর সময়ে Upwork Bangladesh গ্রোপে এসে সবার পোস্ট আর কমেন্ট পরতাম। তাই নতুন করে নিজের কোন প্রশ্ন করার প্রয়োজন পরত না। ইচ্ছাছিল একদিন আমি ও Top Rated হব এবং সবার সাথে আমার গল্পটা শেয়ার করব। আলহামদুলিল্লাহ আজকে টপ রেটেড ব্যাজ পেলাম। আজকের দিনটা আমার জন্য অনেক স্পেশাল। আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন যেন নিজের কাজের মাধ্যমে বাংলাদেশের সুনাম ধরে রাখতে পারি।

 পরিশেষে বলতে চাই:
===============
”যদি আপনি মেধার দৌড়ে জিততে না পারেন,তবে পরিশ্রমের দৌড়ে জেতার চেষ্টা করুন কেনোনা এর বিপরীতে প্রতিযোগীর সংখ্যা কম কিন্তু জয়ী হবার সম্ভাবনা বেশি”।
 ---স্টিফেন উইনবাম ।

লিখেছেনঃ Tawhidul Islam
Share:

Upwork Tips - নতুনদের জন্য আপওয়ার্ক টিপস

যারা নতুন ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ করতে চায় এবং অনেক দিন বিড করেও কোন কাজ পচ্ছেনা তাদের জন্য আজকের টিপসঃ ১) Profile : আপনার প্রোফাইল ১০০% করুন। ২)Profile Picture: Professional মানের Profile picture অ্যাড করুন। ৩) Profile Title: আপনার প্রোফাইলে Profile রিলেটেড সুন্দর একটি Title দিন। ৪) Overview : সুন্দর একটি Overview লিখুন। ৫) Skill Test: বেশী বেশী স্কিল টেস্ট যুক্ত করুন। ৬) Work Sample: আপনার নিজের করা সেরা কাজগুলোর Snapshot + Link প্রোফাইলে যুক্ত করুন । ৭) Copy না করা: কাউকে কপি করবেননা। প্রোফাইল তৈরিতেও না, কভার লেটার লিখার ক্ষেত্রেও না। নকল করার ক্ষেত্রে সাবধান। আপনার একাউন্ট পর্যন্ত বাদ হয়ে যেতে পারে। ৮) Bid করা: নতুন কাজে বিড করুন। ৪ থেকে ৫ জনকে ইতিমধ্যে ইন্টারভিউতে ডাকা হয়ে গেলে সেই কাজটি পাওয়ার সম্ভবনা খুবই কম । ৯) Job Post হওয়ার সাথে সাথে বিড করুন । ১০) আপনি প্রোফাইলে যেটিতে দক্ষ উল্লেখ করেছেন, সে ধরনের কাজগুলোতে বিড করুন। যেটি বিড করতে চাচ্ছেন, সেটি প্রোফাইলে না থাকলে কাজটি পাবেন না। ১১) Feedback: শুরুতে ছোট ছোট কাজ করে ফিডব্যাক সংগ্রহ করুন। কিন্তু Fake উপায়ে ফিডব্যাক সংগ্রহ করার কোন রকম চেষ্টা করবেন না। ১২) কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে ক্লায়েন্টকে কোন রকম ইমোশনালি আকর্ষণ করবেন না বা ভিক্কা চাইবেন না , তাহলে কাজ পাবেননা। ১৩) বিডিং রেট বাজার রেটের চাইতে অস্বাভাবিক কমালে কাজ না পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে, তাতে আপনার ব্যাপারে নেগেটিভ ধারনা পাবে। ১৪) বিড শুরু করার আগে বায়ারের রেটিং, পেমেন্ট মেথড ভেরিফাইড কিনা চেক করে নিন। ১৫)কাভার লেটারের ভিতর Email ID, Skype ID বা Facebook ID দিবেন না। ১৬) Job description: পুরো Job description-টা ভালভাবে পড়ুন তারপর বিড করুন। ১৭) আপনার পোর্টফোলিও নিয়মিত Update করুন। ১৮) অবশ্যই আপনার Skype ID রেডি করুন। ১৯) ধৈয্য ও অধ্যাবসায় খুব জরুরী। একদিনে কাজ পাওয়ার আশা না করে চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। আর অবশ্যই যে বিষয়টি সব সময় মাথায় রাখবেন, তা হল আপনার কাজের মান বজায় রাখুন এবং কাজের ক্ষেত্রে নিয়মিত Update থাকুন।
Share:

Upwork Proposal Writing - আপওয়ার্ক এ প্রোপোজাল লিখবেন কিভাবে?

আপওয়ার্ক প্রোপোজাল লিখবেন কীভাবে? নীচের লেখাটি পড়লে আপনি জানতে পারবেন আপওয়ার্কে কীভাবে কাভার লেটার লিখতে হয়। লেখাটি পড়লে আরো জানতে পারবেন এতদিন ধরে যেভাবে লিখে গেছেন তাঁর কোথায় কী ভুল ছিল। আরো জানতে পারবেন..., আচ্ছা বাদ দেন, আসেন পড়ি আগে। ০.১) আপওয়ার্ক প্রোপোজাল লেখার আগে দুইটি জিনিস খুব গুরুত্বপূর্ন; আপনার প্রোফাইল আপওয়ার্ক স্ট্যান্ডার্ড মত আছে কী না, আর আপনি যে জবের জন্যে প্রোপোজাল লিখবেন সেটা ভালমত স্টাডি করেছেন কী না। আমি ধরে নিচ্ছি আপনার প্রোফাইল ঠিক আছে। তাহলে আসেন এপ্লাই করি। এখানে কাভার লেটার নিয়ে মূলত আলোচনা হবে। ১) সেলুটেশনঃ শুরুর কথা শুরু করবেন কীভাবে এটা একটা বিশাল সমস্যা। আমাদের বাঙ্গালিদের যেমন ‘কাউকে স্যার ডাকবো না’ টাইপ ফালতু সেন্টিমেন্ট আছে আবার দরকারে স্যার স্যার বইলা মুখের ফেনা তুলতেও আমরা ওস্তাদ। আমি বলি কী, স্যার দিয়ে শুরু করবেন না। আমার অভিজ্ঞতা থেকে দেখছি বাঙ্গালি সবচেয়ে যে জিনিসটা বেশি ইউজ করে সেটা হলো ‘Dear Hiring Manager’। হোয়াট দ্য ফ্লিপ, ম্যান! দয়া করে এই জিনিস লিখবেন না। আমার মতে, ‘Hey’ অথবা ‘Hi’ দিয়ে শুরু করা সবচেয়ে ভাল (Hello-র চেয়ে এইটা ভাল), সাথে খুব ভাল হয় যদি ক্লায়েন্টের নাম (First Name) জুড়ে দিতে পারেন, না হলে Hey there অথবা Hi there. আগেও কোথায় যেন লিখছিলাম ক্লায়েন্টের নাম কীভাবে জানবেন। যদি ক্লায়েন্টের ওয়ার্ক হিস্ট্রি থাকে আপওয়ার্কে তাহলে একটু স্ক্রল করে নীচে যান, দেখবেন ফীডব্যাক কমেন্টে পুরনো কোন কামলা ক্লায়েন্টের নাম ধরে লিখছে, তাহলে আপনার কাজ হয়ে গেল। নাম লিখতে পারলে দুইটা জিনিস হবে, আপনার পটেনশিয়াল ক্লায়েন্ট খুশি হবে (সবাই নিজের নাম দেখতে ভালবাসে), আর দ্বিতীয়ত আপনার সিরিয়াসনেস, এক্সট্রা মাইল যাওয়ার চেষ্টা খুব পজেটিভ ইম্প্রেশন দিবে। ২) ফার্স্ট সেনটেন্সঃ মনে রাখবেন ক্লায়েন্ট এই লাইনটায় চোখ বুলাবেই। তো গুরুত্বপুর্ন হলো আপনি একটা ভাল ইম্প্রেশন দেন। কিন্তু এই জায়গাটায় আমি সারাজীবন ভুল করে আসছি। একটু ব্যাখ্যা করি। আমি সারাজীবন শুরু করে আসছি এইভাবেঃ Hi *****, I have gone through your job post and I believe I will be able to help you with …… সাধারনভাবে দেখলে মনে হবে ঠিকই তো আছে, আমিও তাই ভাবতাম, আসলে পুরোটাই ভুল। ভুলটা এপ্রোচে। লক্ষ্য করে দেখবেন, একটা বাক্য তার মধ্যে দুদুবার (আসলে ৩) ‘I’ লেখা হইছে। এটাকে যদি ‘I’ এপ্রোচ বলি তাহলে মনে রাখবেন আপনি এভাবে লিখবেন না, আপনি লিখবেন ‘U’ এপ্রোচে। Hi *****, You are looking for …… and my experience and skill closely match with your requirement. এই দুই লেখার অর্থ কাছাকাছি, কিন্তু পরেরটা আমার মতে অনেক ইফেক্টিভ। ৩) কামের (কাজের) কথাঃ প্রথমেই বলছিলাম যে, জব পোস্ট পড়তে হবে মন দিয়ে। এই অংশ হলো আপনার সেই পরীক্ষা। আপনি যে পড়ছেন, নিজেকে পারফেক্ট ম্যাচ মনে করেন সেটা প্রমান হবে কীভাবে? আপনার এক্সপার্টিজ লেভেল যে মাপের হোক, জব রিকুয়ারমেন্ট ম্যাচ করানোর ব্যাপার আছে। সেক্ষেত্রে প্রশ্ন করেন, টেকনিক্যাল এবং স্পেসিফিক প্রশ্ন, আজাইরা হাংকি পাংকি না। আবার অনেক ক্লায়েন্ট আছে জব ডেস্ক্রিপশন লিখতে পারে নাই ঠিকমত সেটা সময়ের অভাবে হোক বা অন্য কোন কারনে। আপনি প্রশ্ন করে জেনে নেন। এরপর আপনি একটু পরামর্শদাতা হন, ব্যাখ্যা করেন আপনার পুরনো সিমিলার কাজের ক্ষেত্রে কী কী সমস্যা হইছিলো এবং কীভাবে সমাধান করছেন। আবার আপনার পুরনো কোম্পানির বিজনেস সিক্রেট নিয়ে ডিসকাশন কইরেন না যেন! এই পার্টটা একটু বড়ই করেন, সমস্যা কী! তবে মনে রাখবেন থাম্ব রুল হলো, ক্লায়েন্টের জব পোস্ট যদি বড় হয় তাহলে বুঝবেন বেটা বেশি কথা বলতে এবং পড়তে ভালবাসে। আপনাকেও একটু বিশদে লিখতে হবে। ছোট জব পোস্ট যারা করেন তারা কম কথায় কাজ সারতে পছন্দ করেন, তাই আপনিও যত কম কথায় সম্ভব লিখবেন। যাই হোক, এই পার্টের একটা এক্সাম্পল দেইঃ জবটা ছিল, একটা ইকমার্স স্টোরের প্রডাক্ট ডেসক্রিপশন লিখতে হবে। Hi *****, You are looking for …… and my experience and skill closely match with your requirement. After reviewing your job post, I would ask you the following questions: -Should it be a bland paragraph story-driven with bullet points? -Who’s your target market? ABCD, the company I currently work with sells products to African American women and I am an Asian male. This would give you an idea of my adaptive style. In addition to ABCD, I worked with EFGH, IJKL, MNOP etc. in the past and among which EFGH and IJKL are multi-millionaire e-commerce companies. I hope, the experience would help me doing this job for you. ৪) সার্ভিস অফারঃ এই পর্যায়ে আপনি কী কী দিতে পারবেন তা লিখতে থাকেন। ধরেন, আপনি ক্লায়েন্টের টাইম জোনে কাজ করতে পারবেন সেটা জানান, টার্ন এরাউন্ড টাইম কী রকম হবে সেটা বলেন (ওর কত দ্রুত লাগবে জানতে হলে আগের প্রশ্নের সাথে করে ফেলেন)। যদিও আপনার প্রাইস কী হবে সেটা অন্য জায়গায় বলা হইছে, আপনি কোন ডিসকাউন্ট দিতে পারবেন কী না কিলিয়ার করেন, বা ফ্রি স্যাম্পল করবেন কী না এটাও লিখতে পারেন। Hi *****, You are looking for …… and my experience and skill closely match with your requirement. After reviewing your job post, I would ask you the following questions: -Should it be a bland paragraph with bullet points or story-driven? -Who’s your target market? -How soon do you need this to be done? ABCD, the company I currently work with sells products to African American women and I am an Asian male. This would give you an idea of my adaptive style. In addition to ABCD, I worked with EFGH, IJKL, MNOP etc. in the past and among which EFGH and IJKL are multi-millionaire e-commerce companies. I hope, the experience would help me doing this job for you. ৫) কল অব একশন (নট নেচার)ঃ এতক্ষন তো জাল বিছাইলেন, এইবার মাছ তোলার পালা। ক্লায়েন্টের সাথে পরবর্তী যোগাযোগের একটা ক্লিয়ার লাইন তৈরী করেন। এরকম হতে পারেঃ Hi *****, You are looking for …… and my experience and skill closely match with your requirement. After reviewing your job post, I would ask you the following questions: -Should it be a bland or paragraph story-driven with bullet points? -Who’s your target market? -How soon do you need this to be done? ABCD, the company I currently work with sells products to African American women and I am an Asian male. This would give you an idea of my adaptive style. In addition to ABCD, I worked with EFGH, IJKL, MNOP etc. in the past and among which EFGH and IJKL are multi-millionaire e-commerce companies. I hope, the experience would help me doing this job for you. If any of that sounds like what you need, please let me know a convenient time for you for a discussion skype or through Upwork message room. Best Regards, Golan Travese Skype: Golan.Travese.Foundation P.S. I’m happy to write a sample for free in any style you choose. ৬) শেষের পরের শেষঃ উপরে লক্ষ্য করেন, P.S. দিয়ে দিয়ে একটা লাইন লেখা আছে। এভাবে দিলে লাভ হইলো ক্লায়েন্ট মনে করে একটা বিশেষ কিছু অফার দিছে যেটা কাভার লেটারের ভেতরে দিলে সেম ফিল ক্রিয়েট করতো না। (বস্তুত প্রত্যেকটা প্রপোজালই ইউনিক, আমার জন্যে এই প্যাটার্ন ফলো করছে জন্যে আপনার জন্যেও করবে কোন মানে নাই। সবচেয়ে বড় টিপস হলো, আল্লাহ পাক মাথা দিছে সেটা একটু ইউজ করে করে কাজ করেন) Mobarok Hossain ভাইয়ের লেখা।
Share:

What is hacking (হ্যাকিং)? why a website being hacked??

Hacking:

একটি ওয়েবসাইট প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যারা প্রফেশনাল ভাবে ওয়েবসাইট তৈরি করে বা ব্লগিং করে তাদের কথা না হয় বাদই দিলাম, আপনি যেকোনো পেশার মধ্যে থাকুন না কেন, ওয়েবসাইট থাকাটা আজকের অত্যাবশ্যক ব্যাপার। যেখানে প্রতিনিয়ত এতো ওয়েবসাইট বেড়ে চলেছে, সেখানে সিকিউরিটির চাহিদাও অনেক বেড়ে গেছে। আপনার মনে রাখা প্রয়োজনীয় আপনার সাইট’টি হ্যাকার নানান কারণে হ্যাক করতে পারে, এখানে শুধু একা আপনার ক্ষতি নয়, বরং আপনার সাইট ভিজিটরদেরও টার্গেট করা হতে পারে।
hacking imamcu07
 তাছাড়া ওয়েবসাইট’কে ত্রুটিপূর্ণ করে রাখা আপনার বিজনেস এবং ট্র্যাফিকের জন্যও অনেক ক্ষতিকর হয়। এখন হয়তো আপনি ভাবছেন, “আমার তো সাধারণ ব্লগ, যেখানে কোন ইউজার ডিটেইলস, যেমন- ক্রেডিট কার্ড নাম্বার, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, কাস্টমার ডিটেইলস নেই, তাহলে কোন হ্যাকার কেন আমার সাইট হ্যাক করতে চাইবে?” — ঠিক আছে, আপনার কথা গুলোর অনেকটা যুক্তি রয়েছে, কিন্তু একটু আলাদা নজরে দেখলে, হ্যাকার আপনার ওয়েবসাইট হ্যাক করার পরে ইনফরমেশন চুরি করা ছাড়াও আরো খারাপ এবং ভয়াবহ সব কর্মকাণ্ড চালাতে পারে। সত্যি বলতে বেশিরভাগ সময় হ্যাকার কোন নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট টার্গেট করে হ্যাক করে না, কোন সাইট বা সাইটে কি রয়েছে তার সাথে কোন লেনাদেনা থাকে না হ্যাকারের। তাহলে কেন হ্যাকার আপনার ওয়েবসাইট হ্যাক করতে চায়? হ্যাকার কেন ওয়েবসাইট হ্যাক করে?
 #ডিফেসমেন্ট ওয়েবসাইট হ্যাক করার ক্ষেত্রে এই টাইপের হ্যাকিং সবচাইতে বেশি দেখতে পাওয়া যায়। হ্যাকার কোন ওয়েবসাইট’কে হ্যাক করে হোম পেজে নিজেদের ছবি বা সংগঠনের ছবি ঝুলিয়ে দেয়। এদের প্রধান উদ্দেশ্য হয় বিশেষ করে নিজের নাম বা হ্যাকিং গ্রুপের নামের প্রসার বিস্তার করানো। তারা দেখাতে চায়, ঐ নামের কোন একটি হ্যাকিং গ্রুপ রয়েছে। এই টাইপের হ্যাকিং করে সবচাইতে বড় সুবিধা হচ্ছে, ফ্রী’তে নিজের যেকোনো কিছুর ফ্রী অ্যাডভার্টাইসমেন্ট করানো। ধরুন কোন একটি সাইট দিনে ২০ হাজার পেজ ভিউ পায়, তাহলে ঐ সাইটের প্রত্যেকটি লিঙ্কে যদি হ্যাকারের লাগানো পেজ শো করে, চিন্তা করে দেখুন কতোবড় ফ্রী অ্যাড দেখানো হয়ে গেলো। #এসইও এই টাইপের অ্যাটাক’কে এসইও অ্যাটাক বলতে পারেন। বিশেষ করে সার্চ ইঞ্জিন থেকে হ্যাকার তার নিজের ওয়েবসাইটে রাঙ্ক করার জন্য আপনার সাইট হ্যাক করবে, হ্যাক করে সেখানে স্প্যাম পেজ তৈরি করবে যেটাতে অসংখ্য ব্যাকলিঙ্ক থাকতে পারে, যেটা হ্যাকারকে সুবিধা প্রদান করবে। এসইও মানে হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। সাধারণত গুগল বা সার্চ ইঞ্জিন গুলো সেই সাইট গুলোকে বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকে যাদের লিঙ্ক সবচাইতে বেশি অন্যান্য সাইট গুলোতে রয়েছে। তাই হ্যাকার এভাবে একের পর এক সাইট হ্যাক করতে থাকে, আর সেই সাইট গুলোতে নিজের সাইট লিঙ্ক বসিয়ে ব্যাকলিঙ্ক নিয়ে থাকে। #স্প্যামিং অনেক সময় স্প্যাম মেইল সেন্ড করার জন্য বিভিন্ন ওয়েবসাইট গুলোকে র‍্যান্ডম ভাবে হ্যাক করা হয়। তারপরে সাইট থেকে একসাথে হাজারো বা লাখো মেইল সেন্ড করা হয়, অনেক সময় তো সাইট মালিক কিছুই বুঝতে পারে না, ব্যাট এদিকে হ্যাকার তার কাজ চালিয়ে যেতে থাকে। যেহেতু আপনার সাইট সার্ভার একটি কম্পিউটার, তাই সেই কম্পিউটিং পাওয়ার কাজে লাগিয়ে যা ইচ্ছা তা করা সম্ভব। হ্যাকার ফ্রী’তে লাখো ফেইক মেইল বিভিন্ন অ্যাড্রেস পাঠাতে থাকে, এতে ঐ মেইলকে ট্রেস করা অসম্ভব হয়ে যায়, কেনোনা মেইলটি হ্যাকার কম্পিউটার থেকে না এসে আপনার ওয়েব সার্ভার থেকে আসছে। ইমেইল স্প্যামিং করে হ্যাকার অনেক টাকা ইনকাম করে নিতে পারে, কিন্তু ওয়েব সার্ভার কোম্পানি গুলোকে অনেক টাকা খরচ করতে হয়, তাদের আইপি অ্যাড্রেস গুলো ব্ল্যাক লিস্টেড হয়ে যায়, সেগুলোকে ঠিক করতে টাকা লাগে। আর এসইও এর জন্য ব্যাকলিঙ্ক তৈরি করার স্প্যামিং নিয়ে তো উপরেই আলোচনা করলাম। #ম্যালওয়্যার ছড়ানো হ্যাকার ওয়েবসাইট হ্যাক করে সেখানে ম্যালিসিয়াস কোড বা ম্যালিসিয়াস সফটওয়্যার ইনজেক্ট করিয়ে দেয়। তারপরে ঐ সাইটে যখন কোন ভিজিটর ভিজিট করে এবং তার পিসিতে যদি কোন ত্রুটি থাকে, সেই ম্যালওয়্যারটি ভিজিটরের কম্পিউটারে প্রবেশ করে ফেলে। এইবার ঐ ম্যালওয়্যার গুলো অগুনতি উপায়ে হ্যাকারকে টাকা ইনকাম করার সুযোগ করে দেয়, যেমন ধরুনঃ হ্যাকার আক্রান্ত পিসিকে বটনেট হিসেবে ব্যবহার করতে পারে, ঐ কম্পিউটার থেকে সকল তথ্য গুলোকে চুরি করতে পারে, কম্পিউটারের সকল ফাইল গুলোকে এনক্রিপটেড করিয়ে দিতে পারে এবং ফাইল গুলো ফেরত পাওয়ার জন্য টাকার দাবী করতে পারে, ঠিক যেমন র‍্যানসমওয়্যারের ক্ষেত্রে করা হয়।
hacking imamcu07
 কিন্তু আপনার ছোট আর সাধারণ ওয়েব ব্লগ কেন হ্যাকার হ্যাক করবে? উপরের প্যারাগ্রাফ গুলো থেকে নিশ্চয় বুঝতে পেড়েছেন, হ্যাকারের কতোটা স্বার্থ রয়েছে এবং কেন হ্যাক করবে। কিভাবে ওয়েবসাইট হ্যাক হয়? অনেক হ্যাকার শুধু তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি করার জন্য ওয়েবসাইট হ্যাক করে থাকে। এখানে হ্যাকার বলতে অবশ্যই ব্ল্যাক হ্যাট বা অনৈতিক হ্যাকারের কথা বলা হচ্ছে। অনেক ওয়েবসাইট সিকিউরিটি স্ক্যানার রয়েছে, যেগুলো র‍্যান্ডম ভাবে ওয়েবসাইটকে স্ক্যান করে এবং কোন সিকিউরিটি সমস্যা খুঁজে পেলে তা বেড় করতে সাহায্য করে। অনেক সময় হ্যাকার ম্যানুয়ালি ওয়েব সাইট চেক করে এবং খুঁজে দেখে কোন সিকিউরিটি সমস্যা রয়েছে কিনা। অনেক সময় তো আপনার নিজের ভুলের কারণেই আপনার সাইট হ্যাকারদের জন্য উন্মুক্ত হয়ে থাকে। আপনি হয়তো এমন কোন লিঙ্ক গুগলের কাছে ইনডেক্স করে ফেলেন, যেটা ইনডেক্স করা মোটেও ঠিক নয়। ধরুন আপনার সাইটে একটি সিকিউর এবং লুকায়িত লগইন পেজ লিঙ্ক রয়েছে, যেখানে প্রবেশ করে আপনি সাইট লগইন করেন। এখন ধরুন ঐ পেজটি গুগল সার্চ রেজাল্টে ইনডেক্স করে রেখেছেন, মানে হ্যাকার একটু চালাকি খাটিয়ে গুগল সার্চ করলেই আপনার সাইটের লগইন পেজ পেয়ে যাবে এবং সেখানে অ্যাটাক করতে পারে অ্যাক্সেস পাওয়ার জন্য। প্রফেশনাল ভাবে ওয়েবসাইট হ্যাকিং করার ক্ষেত্রে হ্যাকার অবশ্যই সাইটটি সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করতে থাকে এবং ডাটা কালেক্ট করতে থাকে। আপনি সাইটে কোন থিম ব্যবহার করেছেন, কোন সফটওয়্যার দিয়ে সাইট’টি বিল্ড করেছেন, কোন প্লাগইন গুলো ব্যবহার করছেন, ইত্যাদি। এখন হয়তো আপনার সাইটের মধ্যে বা আপনার নিজের বা কোডের কোন সমস্যা নেই।
কিন্তু আপনি যে থিম ব্যবহার করেছেন বা প্লাগইন ব্যবহার করেছেন, হয়তো সেটা ত্রুটিপূর্ণ, এর ফলেও আপনার সাইট সহজেই হ্যাক হয়ে যেতে পারে। হ্যাকার আপনার সাইটের সমস্ত তদন্ত ডাটা গুলো একত্রিত করে এবং আপনার প্রত্যেকটি সফটওয়্যার, প্লাগইন, থিম ইত্যাদির ভার্সন চেক করে দেখে। সেগুলতে ত্রুটি খোঁজার চেষ্টা করে, যদি পুরাতন কোন ভার্সন থিম বা প্লাগইন ব্যবহার করেন, হ্যাকার গুগল করে খুঁজে বেড় করার চেষ্টা করে সেগুলোতে কি ত্রুটি ছিল, হ্যাক করা যাবে কিনা, এভাবেই সে সাইট হ্যাক করার জন্য প্রস্তুতি গ্রহন করে। তবে যখন কোন টার্গেট করা ওয়েবসাইট হ্যাক করার চিন্তা করা হয়, সেক্ষেত্রে অনেকটা সময় লেগে যায়, আগেই বললাম, হ্যাকারকে সাইট’টি স্টাডি করতে হয়। অনেক সময় তো কোন কোডিং আর হ্যাকিং বিদ্যা না খাটিয়ে জাস্ট সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যবহার করে সাইট হ্যাক করা হয়।
---
লিখেছেনঃ রিদয় ইসলাম
Share:

SEO কি ? SEO কেন শিখবেন?? SEO কিভাবে শিখবেন???

What is SEO – Search Engine Optimization?


SEO বা এস ই ও বুঝতে হলে সবার আগে বুঝতে হবে Search Engine। সার্চ ইন্জিন এর সাথে আমরা সবাই মোটামুটি পরিচিত।সার্চ ইঞ্জিন হচ্ছে Google, Yahoo, Ask  ইত্যাদি। এগুলোর মধ্যে Google সবচেয়ে জনপ্রিয় Search Engine। গুগল এ আপনি কোন বিষয় জানার জন্য সার্চ করলে সে অনুযায়ী সবচেয়ে ভাল তথ্যবহুল যে সাইট টি আছে আপনাকে সেটা দেখাবে। 
what is seo
What is SEO?

যেখানে ভিজিট করলে আপনি আপনার কাঙ্খিত তথ্য গুলো পাবেন। এভাবে আপনি আপনার সাইটটি যেভাবে গুগলের টপে নিয়ে আসবেন এটাই এস এর কাজ।  
অর্থাৎ গুগল বা যে কোন সার্চ ইন্জিন আপনি যেভাবে করে নিজের সাইটকে সবার উপরে প্রথম পেজ আনবেন এই কাজটাকেই এসইও ( SEO ) বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন

SEO বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কেন শিখবেন??

অনলাইন মার্কেটিং একটা গুরুত্বপূর্ণ পার্ট হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন ( SEO)। যা কিনা সার্চ ইঞ্জিন (গুগল, বিং, ইয়াহু, ইত্যাদি) থেকে ভিজিটর আনতে সাহায্য করে। আপনি নিজের থেকে একটা জিনিস ভাবুন আপনি যদি কোন বিষয় জানার জন্য সার্চ করেনতখন সার্চ রেজাল্ট এর সাইট গুলোর কোন সাইট টাতে আপনি ক্লিক করেন? প্রথম টাতে নাকিপরের গুলোতে? এভাবে সব ধরনের বিষয়ের ক্ষেত্রে একই রকম।  
আর মানুষ এই কারনে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শিখতে চায়। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন জানা থাকলে সার্চ ইঞ্জিন থেকে ফ্রী ভিজিটর যে রকম আনা যায়, সেরকম গুগলকে প্রতি মাসে হাজারের উপর ডলার দেওয়া থেকে বেচে যাওয়া যায়। এটা আরেকটু পরিস্কার করি যেমন আপনি যখন গুগলে কোন বিষয় লিখে সার্চ দেন দেখবেন প্রথম কিছু পেইড এড শো করে। এই কী ওয়ার্ডে সার্চ দিলে এই সাইট টি প্রথমে শো করার জন্য গুগল কে পেইড করতে হয়েছে। আর জন্য এক কথায় বলা যায় যে, কোন ইনভেস্টমেন্ট ছাড়াই ইনকাম করতে হলে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন আপনাকে শিখতেই হবে।

হয়ত আপনি ভাবতে পারেন তাহলে আমার সাইট টা তো টপে থাকলো না হুম এটা যেমন ঠিক তেমনি ওর পেমেন্ট এর কথা ভাবুন তার সাইট গুগল এর টপে রাখার জন্য তাকে প্রতি ক্লিক গুগল কে ডলার করে পে করতে হচ্ছে। আর এক্ষেত্রে আপনি পাচ্ছেন পুরো ফ্রিতে।  
আরেক টা জিনিস মাথায় রাখবেন পেইড এড গুলো সবাই পছন্দ করে না। আপনি নিজের থেকে চিন্তা করেন আপনি যদি কোন সাইটে ভিজিট করেন সেখানে যদি কোন এড দেখায় তাহলে আপনি কি এড ক্লিক করেন নাকি সেটা স্কিপ করে যান। এরকম সবাই এড এর সাইট গুলোতে ক্লিক করে না। আর সার্চ ইন্জিন ্যাংক হিসেব করে এড দেয়া সাইট এর পরের সাইট গুলো।  
জন্য এস এর চাহিদা কখনই কমবে না প্রতিনিয়ত বাড়তেই থাকবে।

seo process

একদিকে SEO এর মাধ্যমে আপনি আউটসোর্সিং করতে পারবেন। আপনার জন্য অনেক কাজ অপেক্ষা করছে। আবার যদি আপনি চিন্তা করেন আউটসোর্সিং করব না নিজের বিজনেস নিজে ডেভলপ করব আপনি সেটাও পারবেন।  
আর সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে আপনি যদি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শিখেন তবে আপনার জন্য যে কোন ধরনের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারবেন অনলাইন আয়ের জগতে। একটা প্রোডাক্ট তৈরি করা থেকে একটা প্রোডাক্ট মার্কেট পাওয়া অনেক কষ্ট। আর আপনি যখন সেই কঠিন কাজটা নিজের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন তখনি আপনি অনলাইন আয়ের জগতে নিজেকে স্বাবলম্বী করতে পারবেন।

আর বর্তমানে ইকমার্স ব্যাবসা, যে কোন ধরণের বিজনেস ডেভলপ করা সব কিছুই প্রযুক্তির সাহায্যে হচ্ছে। আর সব কিছুই আপনি সম্ভব করতে পারবেন SEO দ্বারা।  
আরেক টু দেখে নিন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন আপনাকে কি কি বিষয়ে সাহায্য করবে ?? 

1. আপনার সাইটের ভিজিটর বৃদ্ধির ক্ষেত্রে। 
2. ROI বা আপনার বিনিয়োগ ফিরে পাবেন (ROI=Return on Investment)
3. অতিরিক্ত পরিমাণ বিনিয়োগ বাঁচাতে পারবেন।
4. খুব কম বিনিয়োগে নিজের কোম্পানি বা ব্র্যান্ড কে প্রচার করাতে পারবেন।

SEO কোথায় শিখবেন?? 

SEO শেখার বিভিন্ন উপায় আছে।আমি কিছু শেয়ার করলাম। 
১। ট্রেনিং সেন্টার
২। অনলাইনে বিভিন্ন ব্লগ পরে বা গুগল এর সাহায্য নিয়ে।
 ৩। ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখে

এই উপায় গুলু ফলো করে আপনি SEO শিখতে পারেন
এখন আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে এই উপায় এর মধ্যে কোনটা আমার জন্য ভাল হবে ? প্রথম দুইটা উপায় আপনার জন্য সব থেকে বেশি ভাল হবে  
এখন আবার প্রশ্ন যে, তিন নাম্বারটা কেন বেশি ভাল হবে না ?
 উত্তরঃ আপনি যদি ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখে কাজ শিখেন তাহলে আপনার শিখার আগ্রহ ওই ভিডিও টিউটোরিয়াল পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকবে কোন কিছু জানার জন্য আপনি ভিডিও টিউটোরিয়াল খুঁজবেন, ভিডিও টিউটোরিয়াল এর উপর নির্ভর থাকবেন কোন কিছু জানার জন্য তখন আপনি গুগল ব্যাবহার করবেন না ইউটিউব ব্যাবহার করে ভিডিও খুঁজবেন যার কারনে আপনার জ্ঞান ভিডিও পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকবে যার কারনে ভিডিওটাকে আমি ওই ভাবে সাপোর্ট করি না  

 বাকি রইল টা ট্রেনিং সেন্টার অ্যান্ড অনলাইনে ব্লগ পরে আপনি যদি ট্রেনিং সেন্টার থেকে ট্রেনিং নিয়ে এস শিখতে চান তাহলেও পারবেন তবে আপনাকে ভাল মানের  এস  এক্সপার্টদের কাছ থেকে ট্রেনিং নিতে হবে যদি সেই রকম কোন ট্রেনিং সেন্টার না পান তাহলে অনলাইনকে বেছে নিন এখন ধরুন আপনি একটা ট্রেনিং সেন্টার থেকে এস  শেষ করলেন আর ট্রেনিং শেষ করার পর যদি আপনি মনে করেন যে আপনি SEO ( এস ও ) এক্সপার্ট হয়ে গেছেন তাহলে মস্ত বড় ভুল করলেন

  এখন বর্তমানে ট্রেনিং সেন্টার গুলুতে মোটামুটি বেসিক শিখানো হয় আর খুব কম প্রতিষ্ঠান আছে যারা ট্রেনিং চলাকালীন সময়ে লাইভ প্রজেক্ট দেখায়  কিন্তু এতেও আপনাকে এক্সপার্ট হতে পারবেন না। ট্রেনিং শেষ করে আপনার ব্যাক্তিগত সাইট কে এস করার ক্ষেত্রে এবং ইন্টার্নির ব্যাবস্থা করে কোন লাইভ প্রজেক্টে কাজ করালে আমি আশা করি আপনি কাজ করার মত এস শিখতে পারবেন। কিন্তু কখনোই এক্সপার্ট বলতে পারবেন না। কারন এটা যে সময় আপডেট হতে পারে অতএব আপনাকে শেখার উপরে কাজের উপরেই থাকতে হবে।

§         আপনাকে যা করতে হবে :
ট্রেনিং চলাকালীন ওখান থেকে যে লাইভ প্রজেক্ট গুলো দেখানো হবে সেগুলোর পাশাপাশি নিজের ব্যাক্তি গত প্রজেক্ট   করতে হবে।
ট্রেনিং শেষে ট্রেনিং ইন্সটিটিউট কমপক্ষে তিন মাস সময় নিয়ে তাদের থেকে লাইভ প্রজেক্ট করে আপনাকে   আগাতে হবে।
এমন প্রতিষ্ঠান ভর্তি হবেন যাদের ট্রেইনার রা আসোলেই এসইও কাজ করেন। যে প্রতিষ্ঠান ট্রেনিং এর পরেও   আপনাকে তাদের সাথে থেকে ইন্টার্নি বা তাদের প্রজেক্টে কাজ করার সুযোগ দেয়।
যে প্রতিষ্ঠান আসলেই টাকার থেকে শিখানোর ব্যাপারে আগ্রহী সেসব প্রতিষ্ঠান কে বাছাই করে নিতে হবে।
আপনি যেখানে ভর্তি হবেন তাদের মডিউল দেখেন তারপরে যারা এক্সপার্ট আছে তাদের কে মডিউল দেখান   তারা যদি আপনাকে সাজেষ্ট করে ভর্তির ব্যাপারে তাহলে আপনি ভর্তি হবেন।

সর্বপরি গুগল যদি আপনি ভাল করে কাজে লাগাতে পারেন তাহলে আপনার এক্সপার্ট হওয়া কেউ ঠেকাতে পারবে না এমন অনেকেই আছে যে অনেক অ্যাডভান্স জিনিস পারে কিন্তু ছোট কাজ সেটা পারে না কিন্তু সে সেই কাজটা শিখেছিল এখন মনে নেই আর তার না পারার কারন হচ্ছে অ্যাডভান্স জিনিস শিখতে গিয়ে সে বেসিক অনেক কিছুই ভুলে গেছে এই রকম যেন আপনার ক্ষেত্রে না হয় সে জন্য আপনি যে টুকু শিখেছেন সেই টুকু নিয়ে প্রতিদিন অনুশীলন করতে হবে আর অ্যাডভান্স কাজ গুলো শিখতে হবে

SEO (এস ও) শিখতে আপনাকে কি কি বিষয় শিখতে হবে?


  • Basic concepts of a website promotion
  • Discussion on White Hat, Grey Hat, and Black Hat SEO
  • Keywords
  • Back Links
  • Anchor Text
  • Page Rank
  • Website Age
  • Understanding Authority
  • Ranking Factors
  • Introduction to Keyword Research
  • Keyword Tools
  • Finalization of Keywords
  • Domain Selection & SEO Friendly Website Structure
  • Single Page Optimize
  • Robots.txt and Sitemap.xml
  • Important on-site factors
  • Google Webmaster Tools & Analytics
  • Link Strategy & Monitoring
  • Reporting, Portfolio building & Auditing

Share:

Facebook Page

Popular

Blogger দ্বারা পরিচালিত.

Recent Posts

Who Am I ?

imamcu07Hi there! It's me, Muhammad Imam Uddin, born & raised in Feni, Bangladesh. I always love to play with codes, blogging, website developing, social networking and...
See More →



Facebook Fan Page